ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যুদ্ধের ভালো খবর দেখাও, নয়তো লাইসেন্স বাতিল: ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

ইরান যুদ্ধের সংবাদ কাভারেজ নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু সংবাদমাধ্যম মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং এসব গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়াচ্ছে এবং কিছু মার্কিন গণমাধ্যম তার সঙ্গে সমন্বয় করে সেগুলো প্রচার করছে। তিনি বলেন, ইরান নাকি এআই দিয়ে এমন ভিডিও তৈরি করছে যেখানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে সমুদ্রে জ্বলতে দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, এ ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচারকারী মিডিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা উচিত।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, বাস্তবে ইরানই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং তারা কেবল এআই দিয়ে তৈরি প্রচারণার যুদ্ধে ‘জয়ী’ হওয়ার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে তিনি মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধসংক্রান্ত সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিলের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে। ব্রেন্ডন কার সামাজিক মাধ্যমে বলেন, সম্প্রচারকারীদের অবশ্যই জনস্বার্থে কাজ করতে হবে, নইলে তারা তাদের লাইসেন্স হারাতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুয়া খবর প্রচারকারী গণমাধ্যমগুলোকে লাইসেন্স নবায়নের আগে সতর্ক হওয়া উচিত।

তবে এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক মহল ও বাকস্বাধীনতা রক্ষাকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সেন্সরশিপের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। হাওয়াইয়ের সিনেটর ব্রায়ান শাটজ বলেন, এটি মূলত সংবাদমাধ্যমকে যুদ্ধের ইতিবাচক খবর দেখাতে বাধ্য করার ইঙ্গিত।

অন্যদিকে বাকস্বাধীনতা বিষয়ক সংগঠন ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস অ্যান্ড এক্সপ্রেশন (ফায়ার)-এর অন্যতম পরিচালক অ্যারন টের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী সরকার যুদ্ধসংক্রান্ত তথ্য সেন্সর করতে পারে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যুদ্ধের ভালো খবর দেখাও, নয়তো লাইসেন্স বাতিল: ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকি

আপডেট সময় ০৯:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইরান যুদ্ধের সংবাদ কাভারেজ নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু সংবাদমাধ্যম মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং এসব গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়াচ্ছে এবং কিছু মার্কিন গণমাধ্যম তার সঙ্গে সমন্বয় করে সেগুলো প্রচার করছে। তিনি বলেন, ইরান নাকি এআই দিয়ে এমন ভিডিও তৈরি করছে যেখানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে সমুদ্রে জ্বলতে দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, এ ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচারকারী মিডিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা উচিত।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, বাস্তবে ইরানই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং তারা কেবল এআই দিয়ে তৈরি প্রচারণার যুদ্ধে ‘জয়ী’ হওয়ার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে তিনি মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধসংক্রান্ত সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিলের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে। ব্রেন্ডন কার সামাজিক মাধ্যমে বলেন, সম্প্রচারকারীদের অবশ্যই জনস্বার্থে কাজ করতে হবে, নইলে তারা তাদের লাইসেন্স হারাতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুয়া খবর প্রচারকারী গণমাধ্যমগুলোকে লাইসেন্স নবায়নের আগে সতর্ক হওয়া উচিত।

তবে এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক মহল ও বাকস্বাধীনতা রক্ষাকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সেন্সরশিপের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। হাওয়াইয়ের সিনেটর ব্রায়ান শাটজ বলেন, এটি মূলত সংবাদমাধ্যমকে যুদ্ধের ইতিবাচক খবর দেখাতে বাধ্য করার ইঙ্গিত।

অন্যদিকে বাকস্বাধীনতা বিষয়ক সংগঠন ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস অ্যান্ড এক্সপ্রেশন (ফায়ার)-এর অন্যতম পরিচালক অ্যারন টের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী সরকার যুদ্ধসংক্রান্ত তথ্য সেন্সর করতে পারে না।