ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘সুখবর আছে’ বলে লন্ডনের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

লন্ডনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে দেশে প্রত্যাহার করেছে সরকার। প্রায় এক বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা লন্ডনে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে উপস্থিত সাংবাদিকদের ‘একটা সুখবর আছে’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, যে হাইকমিশনার ডিভাইসিভ (বিভেদমূলক) আচরণ করে কমিটিকে (লন্ডনস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির কিমিটি) ডিভাইড (বিভক্ত) করে রেখেছ, যে আওয়ামীকরণ করেছে হাইকমিশনকে, আওয়ামী লীগের ধান্দায় চলছে, কমিটির ধান্দা নাই, বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট দেখে না, এই হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের সময়ে কোনো রাষ্ট্রদূত বা মিশনপ্রধানকে প্রত্যাহার করার এটিই প্রথম ঘটনা।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘সুখবর আছে’ বলে লন্ডনের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

আপডেট সময় ০৩:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

লন্ডনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে দেশে প্রত্যাহার করেছে সরকার। প্রায় এক বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা লন্ডনে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে উপস্থিত সাংবাদিকদের ‘একটা সুখবর আছে’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, যে হাইকমিশনার ডিভাইসিভ (বিভেদমূলক) আচরণ করে কমিটিকে (লন্ডনস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির কিমিটি) ডিভাইড (বিভক্ত) করে রেখেছ, যে আওয়ামীকরণ করেছে হাইকমিশনকে, আওয়ামী লীগের ধান্দায় চলছে, কমিটির ধান্দা নাই, বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট দেখে না, এই হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের সময়ে কোনো রাষ্ট্রদূত বা মিশনপ্রধানকে প্রত্যাহার করার এটিই প্রথম ঘটনা।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।