ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হঠাৎ প্রতিবেশী দেশে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সম্প্রতি কাতারে একটি বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার ঘটনার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের একটি রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তা নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই বার্তায় প্রেসিডেন্ট আশ্বস্ত করেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা না চালানো হলে ইরানও তাদের লক্ষ্যবস্তু করবে না। তবে বাস্তব পরিস্থিতি এবং বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কৌশলগত ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেসিডেন্টের হাতে আদতে কোনো কার্যকর ক্ষমতা থাকে না।

ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। যখন তিনি এই শান্তির বার্তা দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই কাতার তাদের আকাশসীমায় (হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে) আসা অন্তত ১০টি ড্রোন ও দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করে।

ইরানি রাজনীতি বিশ্লেষক রসুল সরদারের মতে, ইরানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা মূলত দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয় কাজ এবং ‘অকৌশলগত’ বিষয়গুলো পরিচালনা করেন। সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদমর্যাদায় দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেও জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্রনীতির মতো ‘কৌশলগত’ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বললে চলে।

ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর। বর্তমানে দেশটির সংবিধানে উল্লেখিত ‘অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাউন্সিল’ রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, যার সদস্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান থাকলেও ক্ষমতার প্রকৃত চাবিকাঠি এখন সামরিক বাহিনীর হাতে।

বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এখন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের অপারেশন পরিচালনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এখন দেশ যখন একটি ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন আইআরজিসির কমান্ডই চূড়ান্ত। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা করবে কি করবে না, তা সম্পূর্ণভাবে তাদের সদর দপ্তর থেকে নির্ধারিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হঠাৎ প্রতিবেশী দেশে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

আপডেট সময় ০৬:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সম্প্রতি কাতারে একটি বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার ঘটনার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের একটি রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তা নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই বার্তায় প্রেসিডেন্ট আশ্বস্ত করেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা না চালানো হলে ইরানও তাদের লক্ষ্যবস্তু করবে না। তবে বাস্তব পরিস্থিতি এবং বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কৌশলগত ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেসিডেন্টের হাতে আদতে কোনো কার্যকর ক্ষমতা থাকে না।

ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। যখন তিনি এই শান্তির বার্তা দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই কাতার তাদের আকাশসীমায় (হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে) আসা অন্তত ১০টি ড্রোন ও দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করে।

ইরানি রাজনীতি বিশ্লেষক রসুল সরদারের মতে, ইরানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা মূলত দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয় কাজ এবং ‘অকৌশলগত’ বিষয়গুলো পরিচালনা করেন। সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদমর্যাদায় দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেও জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্রনীতির মতো ‘কৌশলগত’ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বললে চলে।

ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর। বর্তমানে দেশটির সংবিধানে উল্লেখিত ‘অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাউন্সিল’ রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, যার সদস্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান থাকলেও ক্ষমতার প্রকৃত চাবিকাঠি এখন সামরিক বাহিনীর হাতে।

বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এখন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের অপারেশন পরিচালনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এখন দেশ যখন একটি ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন আইআরজিসির কমান্ডই চূড়ান্ত। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা করবে কি করবে না, তা সম্পূর্ণভাবে তাদের সদর দপ্তর থেকে নির্ধারিত হচ্ছে।