ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

রোহিঙ্গাদের জন্য জাপানের ২৬ লাখ ডলার অনুদান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
কক্সবাজার জেলা ও ভাসানচরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ২৬ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে জাপান সরকার। এই সহায়তা বাস্তবায়ন করবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘রোহিঙ্গা: সাইলেন্ট ভিকটিমস অব ইনজাস্টিস’ নামক এক ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঢাকায় আয়োজিত নোট বিনিময় চুক্তিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি এবং আইওএম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জিউসেপ্পে লোপ্রেতে স্বাক্ষর করেন।

আইওএম জানায়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৫ লাখ ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সদস্য উপকৃত হবেন। প্রকল্পের অধীনে শরণার্থী শিবিরে বাসস্থান উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ, রান্নার গ্যাস সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, শিবির ব্যবস্থাপনা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি কক্সবাজার ও ভাসানচরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জীবিকা সহায়তাও দেওয়া হবে।

এ ছাড়া কক্সবাজারের দুর্যোগপ্রবণ ও বাস্তুচ্যুত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বলেন, জাপান সরকারের এ সহায়তা রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘস্থায়ী এ মানবিক সংকটে জাপান সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আইওএমের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জিউসেপ্পে লোপ্রেতে বলেন, কক্সবাজারে মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। শরণার্থীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অথচ দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এখনো অনিশ্চিত। তিনি জাপান সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে জাপান বাংলাদেশে মানবিক সহায়তায় ধারাবাহিকভাবে অবদান রেখে আসছে। সর্বশেষ অনুদানসহ আইওএম, অন্যান্য জাতিসংঘ সংস্থা ও বেসরকারি সংগঠনের মাধ্যমে জাপান এরই মধ্যে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা প্রদান করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

রোহিঙ্গাদের জন্য জাপানের ২৬ লাখ ডলার অনুদান

আপডেট সময় ০৫:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
কক্সবাজার জেলা ও ভাসানচরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ২৬ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে জাপান সরকার। এই সহায়তা বাস্তবায়ন করবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘রোহিঙ্গা: সাইলেন্ট ভিকটিমস অব ইনজাস্টিস’ নামক এক ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঢাকায় আয়োজিত নোট বিনিময় চুক্তিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি এবং আইওএম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জিউসেপ্পে লোপ্রেতে স্বাক্ষর করেন।

আইওএম জানায়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৫ লাখ ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সদস্য উপকৃত হবেন। প্রকল্পের অধীনে শরণার্থী শিবিরে বাসস্থান উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ, রান্নার গ্যাস সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, শিবির ব্যবস্থাপনা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি কক্সবাজার ও ভাসানচরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জীবিকা সহায়তাও দেওয়া হবে।

এ ছাড়া কক্সবাজারের দুর্যোগপ্রবণ ও বাস্তুচ্যুত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বলেন, জাপান সরকারের এ সহায়তা রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘস্থায়ী এ মানবিক সংকটে জাপান সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আইওএমের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জিউসেপ্পে লোপ্রেতে বলেন, কক্সবাজারে মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। শরণার্থীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অথচ দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এখনো অনিশ্চিত। তিনি জাপান সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে জাপান বাংলাদেশে মানবিক সহায়তায় ধারাবাহিকভাবে অবদান রেখে আসছে। সর্বশেষ অনুদানসহ আইওএম, অন্যান্য জাতিসংঘ সংস্থা ও বেসরকারি সংগঠনের মাধ্যমে জাপান এরই মধ্যে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা প্রদান করেছে।