ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

দুর্নীতি মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন ধরে চলা এক দুর্নীতি মামলায় ভারতের একটি আদালত শুক্রবার দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। তিনি এই মামলাকে শাসক দলের ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

বিরোধী আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২০২৫ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালেই তিনি নির্বাচনে হারেন।

৫৭ বছর বয়সী কেজরিওয়ালকে ২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ ছিল, তার প্রশাসন মদের লাইসেন্স বরাদ্দে ঘুষ নিয়েছিল। কয়েক মাস কারাভোগের পর আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

রায়ের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।

’ একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের’ মাধ্যমে আপকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ তোলেন।
দিল্লির একটি আদালত শুক্রবার তাকে, তার সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোরিয়া এবং আরো ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়।

মোদির একজন গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী হিসেবে পরিচিত কেজরিওয়াল শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য রেখা গুপ্তা তিন কোটিরও বেশি মানুষের এই বৃহৎ মহানগরের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন।

কেজরিওয়াল কর্মজীবন শুরু করেছিলেন কর আদায়কারী কর্মকর্তা হিসেবে, তবে পরে চাকরি ছেড়ে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে জাতীয় পরিচিতি লাভ করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোদির একাধিক বিরোধী নেতা ফৌজদারি তদন্ত বা বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে দুইজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন।

২০২৫ সালের আগস্টে সরকার একটি বিল উত্থাপন করে, যাতে কোনো রাজনীতিবিদ ৩০ দিন গ্রেপ্তার ও আটক থাকলে তাকে পদ থেকে অপসারণের প্রস্তাব রাখা হয়। বিরোধীরা একে সাংবিধানিক সুরক্ষা খর্বের ‘ভীতিকর’ উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

দুর্নীতি মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল

আপডেট সময় ০৬:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে চলা এক দুর্নীতি মামলায় ভারতের একটি আদালত শুক্রবার দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। তিনি এই মামলাকে শাসক দলের ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

বিরোধী আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২০২৫ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালেই তিনি নির্বাচনে হারেন।

৫৭ বছর বয়সী কেজরিওয়ালকে ২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ ছিল, তার প্রশাসন মদের লাইসেন্স বরাদ্দে ঘুষ নিয়েছিল। কয়েক মাস কারাভোগের পর আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

রায়ের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।

’ একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের’ মাধ্যমে আপকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ তোলেন।
দিল্লির একটি আদালত শুক্রবার তাকে, তার সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোরিয়া এবং আরো ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়।

মোদির একজন গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী হিসেবে পরিচিত কেজরিওয়াল শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য রেখা গুপ্তা তিন কোটিরও বেশি মানুষের এই বৃহৎ মহানগরের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন।

কেজরিওয়াল কর্মজীবন শুরু করেছিলেন কর আদায়কারী কর্মকর্তা হিসেবে, তবে পরে চাকরি ছেড়ে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে জাতীয় পরিচিতি লাভ করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোদির একাধিক বিরোধী নেতা ফৌজদারি তদন্ত বা বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে দুইজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন।

২০২৫ সালের আগস্টে সরকার একটি বিল উত্থাপন করে, যাতে কোনো রাজনীতিবিদ ৩০ দিন গ্রেপ্তার ও আটক থাকলে তাকে পদ থেকে অপসারণের প্রস্তাব রাখা হয়। বিরোধীরা একে সাংবিধানিক সুরক্ষা খর্বের ‘ভীতিকর’ উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন।