ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

একই যোগ্যতা-প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও বেতন গ্রেডে বৈষম্যের অভিযোগ মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একটি অংশ মাদ্রাসায় নিয়োগ পেয়ে বেতন গ্রেড বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যাচে, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্কুলে কর্মরত শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পেলেও মাদ্রাসায় কর্মরতরা পাচ্ছেন ১১তম গ্রেডে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

জানা গেছে, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে প্রায় দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক হাজারের বেশি শিক্ষক স্কুল ও মাদ্রাসায় সুপারিশ পেয়ে ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং তারা ১০ম গ্রেড অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। কেননা আগের এমপিও নীতিমালায় স্কুল-মাদ্রাসা উভয় ক্ষেত্রেই সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১০ম গ্রেডভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে ১৮তম নিবন্ধনধারীদের আরেকটি অংশ সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগ পান। তারা ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। তবে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সর্বশেষ মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১১তম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়। এতে করে একই ব্যাচের স্কুলশিক্ষকরা ১০ম গ্রেড পেলেও মাদ্রাসার শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখে জমা দেওয়া এমপিও ফাইলগুলো ধাপে ধাপে বাতিল করা হচ্ছে। ফলে তারা ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব পালন করেও বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের দাবি, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানে স্কুলের মতো বকেয়া বেতন প্রদানের ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতিতে তারা আর্থিকভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

আব্দুল করিম নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষক বলেন, ‘একই শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও বেতন গ্রেডে এ ধরনের বৈষম্য সমতার নীতির পরিপন্থী। এ ধরনের বৈষম্যের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষায় যোগদানের আগ্রহ কমে যেতে পারে। অবিলম্বে বেতন গ্রেড বৈষম্য দূর করার দাবি জানান এ শিক্ষক।

মো. মাসুদ নামে আরেক শিক্ষক বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালায় বিদ্যমান গ্রেড সংক্রান্ত অসঙ্গতি দ্রুত দূর করে ১০ম গ্রেড বহাল রেখে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। সেটি না হলে শিক্ষায় বৈষম্য থেকে যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ ধরনের বৈষম্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যদি বেতন গ্রেড নিয়ে বৈষম্য থেকে থাকে তাহলে সেটি দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

একই যোগ্যতা-প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও বেতন গ্রেডে বৈষম্যের অভিযোগ মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের

আপডেট সময় ০৬:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একটি অংশ মাদ্রাসায় নিয়োগ পেয়ে বেতন গ্রেড বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যাচে, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্কুলে কর্মরত শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পেলেও মাদ্রাসায় কর্মরতরা পাচ্ছেন ১১তম গ্রেডে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

জানা গেছে, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে প্রায় দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক হাজারের বেশি শিক্ষক স্কুল ও মাদ্রাসায় সুপারিশ পেয়ে ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং তারা ১০ম গ্রেড অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। কেননা আগের এমপিও নীতিমালায় স্কুল-মাদ্রাসা উভয় ক্ষেত্রেই সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১০ম গ্রেডভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে ১৮তম নিবন্ধনধারীদের আরেকটি অংশ সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগ পান। তারা ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। তবে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সর্বশেষ মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১১তম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়। এতে করে একই ব্যাচের স্কুলশিক্ষকরা ১০ম গ্রেড পেলেও মাদ্রাসার শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখে জমা দেওয়া এমপিও ফাইলগুলো ধাপে ধাপে বাতিল করা হচ্ছে। ফলে তারা ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব পালন করেও বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের দাবি, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানে স্কুলের মতো বকেয়া বেতন প্রদানের ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতিতে তারা আর্থিকভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

আব্দুল করিম নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষক বলেন, ‘একই শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও বেতন গ্রেডে এ ধরনের বৈষম্য সমতার নীতির পরিপন্থী। এ ধরনের বৈষম্যের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষায় যোগদানের আগ্রহ কমে যেতে পারে। অবিলম্বে বেতন গ্রেড বৈষম্য দূর করার দাবি জানান এ শিক্ষক।

মো. মাসুদ নামে আরেক শিক্ষক বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালায় বিদ্যমান গ্রেড সংক্রান্ত অসঙ্গতি দ্রুত দূর করে ১০ম গ্রেড বহাল রেখে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। সেটি না হলে শিক্ষায় বৈষম্য থেকে যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ ধরনের বৈষম্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যদি বেতন গ্রেড নিয়ে বৈষম্য থেকে থাকে তাহলে সেটি দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’