ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে আলোচনায় জুবাইদা-জাইমা-শর্মিলা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দুই আসনে জয় পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপ-নির্বাচন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। আর এ উপ-নির্বাচন ঘিরেই সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিণী সৈয়দা শর্মিলা রহমানের নাম।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বগুড়া-৬। ফলে এখানে মনোনয়ন কাকে দেওয়া হবে, তা শুধু উপ-নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নয়; বরং সরকারের রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখছেন অনেকে।

এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আরও রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান এবং জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

দলের কেন্দ্রীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বগুড়া-৬ শুধু একটি আসন নয়, এটি দলের ঐতিহ্যের অংশ। এখানে এমন কাউকে মনোনয়ন দিতে হবে, যিনি সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। তৃণমূলের প্রত্যাশা—আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও স্থানীয়ভাবে পরীক্ষিত কাউকে দেওয়া হোক।”

জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, চেয়ারম্যানের আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত দলীয় নীতির অংশ। “ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই প্রার্থী হবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্র থেকেই জানানো হবে।”

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এখনো এ আসনে নির্বাচন করবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলটির বগুড়া শহর আমির আবিদুর রহমান সোহেল জানান, বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনায় রয়েছে।

ঐতিহাসিকভাবে এ আসন থেকে নির্বাচন করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি এখান থেকে জয়ী হন। ২০১৮ সালে এ আসনে নির্বাচিত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে উপ-নির্বাচনে জয়ী হন গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ।

স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা—এবার এমন প্রার্থী আসুক, যিনি এলাকায় নিয়মিত উপস্থিত থাকবেন এবং উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নেবেন। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম উপ-নির্বাচন হওয়ায় এখানে মনোনয়ন নির্বাচন করবে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে আলোচনায় জুবাইদা-জাইমা-শর্মিলা

আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দুই আসনে জয় পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপ-নির্বাচন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। আর এ উপ-নির্বাচন ঘিরেই সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিণী সৈয়দা শর্মিলা রহমানের নাম।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বগুড়া-৬। ফলে এখানে মনোনয়ন কাকে দেওয়া হবে, তা শুধু উপ-নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নয়; বরং সরকারের রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখছেন অনেকে।

এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আরও রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান এবং জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

দলের কেন্দ্রীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বগুড়া-৬ শুধু একটি আসন নয়, এটি দলের ঐতিহ্যের অংশ। এখানে এমন কাউকে মনোনয়ন দিতে হবে, যিনি সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। তৃণমূলের প্রত্যাশা—আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও স্থানীয়ভাবে পরীক্ষিত কাউকে দেওয়া হোক।”

জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, চেয়ারম্যানের আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত দলীয় নীতির অংশ। “ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই প্রার্থী হবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্র থেকেই জানানো হবে।”

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এখনো এ আসনে নির্বাচন করবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলটির বগুড়া শহর আমির আবিদুর রহমান সোহেল জানান, বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনায় রয়েছে।

ঐতিহাসিকভাবে এ আসন থেকে নির্বাচন করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি এখান থেকে জয়ী হন। ২০১৮ সালে এ আসনে নির্বাচিত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে উপ-নির্বাচনে জয়ী হন গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ।

স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা—এবার এমন প্রার্থী আসুক, যিনি এলাকায় নিয়মিত উপস্থিত থাকবেন এবং উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নেবেন। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম উপ-নির্বাচন হওয়ায় এখানে মনোনয়ন নির্বাচন করবে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা।