ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পয়ত্রিশ বছর পর দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়: পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মাইন উদ্দিন

দীর্ঘ পয়ত্রিশ বছর পর বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটেছে। টানা কয়েক দশক নারী নেতৃত্বের পর এবার দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। এই পরিবর্তন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ। এর পর গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করেন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। পরবর্তী সময়েও এই দুই নারী নেত্রীর হাত ঘুরেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পরিচালিত হয়েছে।

দীর্ঘ এই সময়ে পালাবদল হয়েছে সরকার, পরিবর্তন এসেছে নীতিনির্ধারণে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদে ছিলেন নারী নেতৃত্বই। ফলে প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের আসনে নারীর উপস্থিতি ছিল একটি ধারাবাহিক বাস্তবতা। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতার অবসান ঘটিয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। তাঁর শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা হলো এবং পুরুষ নেতৃত্ব আবারও ফিরে এলো প্রধানমন্ত্রীর পদে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্বের এই পরিবর্তন কেবল ব্যক্তি পরিবর্তন নয়- এটি নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সম্ভাবনাও তৈরি করে। তবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মূল বিষয় হলো- নেতৃত্বের লিঙ্গ নয়, বরং সুশাসন, জবাবদিহি এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ।

এখন দেখার বিষয়, নতুন নেতৃত্ব কতটা সফলভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করতে পারেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই পরিবর্তন তাই শুধু প্রতীকী নয়, বরং ভবিষ্যৎ পথচলার দিকনির্দেশনাও বহন করছে

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পয়ত্রিশ বছর পর দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়: পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তন

আপডেট সময় ১০:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোঃ মাইন উদ্দিন

দীর্ঘ পয়ত্রিশ বছর পর বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটেছে। টানা কয়েক দশক নারী নেতৃত্বের পর এবার দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। এই পরিবর্তন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ। এর পর গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করেন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। পরবর্তী সময়েও এই দুই নারী নেত্রীর হাত ঘুরেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পরিচালিত হয়েছে।

দীর্ঘ এই সময়ে পালাবদল হয়েছে সরকার, পরিবর্তন এসেছে নীতিনির্ধারণে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদে ছিলেন নারী নেতৃত্বই। ফলে প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের আসনে নারীর উপস্থিতি ছিল একটি ধারাবাহিক বাস্তবতা। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতার অবসান ঘটিয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। তাঁর শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা হলো এবং পুরুষ নেতৃত্ব আবারও ফিরে এলো প্রধানমন্ত্রীর পদে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্বের এই পরিবর্তন কেবল ব্যক্তি পরিবর্তন নয়- এটি নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সম্ভাবনাও তৈরি করে। তবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মূল বিষয় হলো- নেতৃত্বের লিঙ্গ নয়, বরং সুশাসন, জবাবদিহি এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ।

এখন দেখার বিষয়, নতুন নেতৃত্ব কতটা সফলভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করতে পারেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই পরিবর্তন তাই শুধু প্রতীকী নয়, বরং ভবিষ্যৎ পথচলার দিকনির্দেশনাও বহন করছে