ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়া থেকে পণ্যবোঝাই কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রাপথে থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে পানামার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজ ডুবে গেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থাই নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং জাহাজে থাকা ১৬ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি সিলয়েড এআরসি’ নামের জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে যেতে শুরু করে। এ সময় জাহাজটি থেকে দুই শতাধিক কন্টেইনার সাগরে ছড়িয়ে পড়ে।

পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ তেলও পানিতে মিশে যায়।
জাহাজটি মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ছিল। ফুকেট উপকূলের কাছে পৌঁছলে এটি প্রায় ৩০ ডিগ্রি কাত হয়ে আংশিকভাবে ডুবে যায়। ফুকেট উপকূল থেকে প্রায় ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে জাহাজটি ডুবতে শুরু করলে থাই নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাহাজের ক্যাপ্টেন সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। জাহাজে থাকা ১৬ জন নাবিকই বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে ফুকেটের একটি হোটেলে রাখা হয়েছে। সবাই সুস্থ আছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি পোর্ট কেলাং থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে পৌঁছনোর কথা ছিল। তবে কী কারণে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

থাইল্যান্ডের দ্য ন্যাশন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে যৌথভাবে জরিপ চালাচ্ছে থাই নৌবাহিনী, ফুকেট দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন কর্তৃপক্ষ, সামুদ্রিক পুলিশ, কুসলধাম ফুকেট ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদ অফিস-১০। একই সঙ্গে জাহাজটির কন্টেইনার উদ্ধার এবং পানিতে ছড়িয়ে পড়া তেল অপসারণের কাজও শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ

আপডেট সময় ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়া থেকে পণ্যবোঝাই কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রাপথে থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে পানামার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজ ডুবে গেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থাই নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং জাহাজে থাকা ১৬ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি সিলয়েড এআরসি’ নামের জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে যেতে শুরু করে। এ সময় জাহাজটি থেকে দুই শতাধিক কন্টেইনার সাগরে ছড়িয়ে পড়ে।

পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ তেলও পানিতে মিশে যায়।
জাহাজটি মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ছিল। ফুকেট উপকূলের কাছে পৌঁছলে এটি প্রায় ৩০ ডিগ্রি কাত হয়ে আংশিকভাবে ডুবে যায়। ফুকেট উপকূল থেকে প্রায় ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে জাহাজটি ডুবতে শুরু করলে থাই নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাহাজের ক্যাপ্টেন সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। জাহাজে থাকা ১৬ জন নাবিকই বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে ফুকেটের একটি হোটেলে রাখা হয়েছে। সবাই সুস্থ আছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি পোর্ট কেলাং থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে পৌঁছনোর কথা ছিল। তবে কী কারণে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

থাইল্যান্ডের দ্য ন্যাশন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে যৌথভাবে জরিপ চালাচ্ছে থাই নৌবাহিনী, ফুকেট দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন কর্তৃপক্ষ, সামুদ্রিক পুলিশ, কুসলধাম ফুকেট ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদ অফিস-১০। একই সঙ্গে জাহাজটির কন্টেইনার উদ্ধার এবং পানিতে ছড়িয়ে পড়া তেল অপসারণের কাজও শুরু হয়েছে।