ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বাংলাদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
অভিবাসন ভিসা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র এবার বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস মেয়াদি, একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। সোমবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করবে—সে বিষয়ে একটি তথ্যবার্তায় এ ঘোষণা দেয়।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

কীভাবে কাজ করবে ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম

মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী—

ভিসা ইন্টারভিউর পর যোগ্য বিবেচিত হলে কনসুলার কর্মকর্তা pay.gov–এর সরাসরি লিংকসহ বন্ড পরিশোধের নির্দেশনা দেবেন।

ভিসা অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা বন্ড পরিশোধ করতে হবে।

সর্বোচ্চ তিন মাসের জন্য একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়া হবে।

নির্ধারিত কিছু পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে।

ভিসার সব শর্ত পূরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে এলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং জমা অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

শর্তের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ না করা এবং সময়মতো দেশত্যাগ করা।

সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের ঝুঁকি

বাংলাদেশের নাম ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে থেকে যাওয়া (ওভারস্টে) নিরুৎসাহিত করা।

নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক

ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছ—

বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS)

জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK)

ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)

নির্ধারিত এই পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, ফলে অর্থ ফেরত পাওয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তালিকাভুক্ত অন্যান্য দেশ

বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডা। দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

কী এই ভিসা বন্ড

ভিসা বন্ড হলো একধরনের ফেরতযোগ্য আর্থিক জামানত, যা ভিসার শর্ত—বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরা—মানা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়। নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে কেউ অনুমোদিত সময়ের বেশি থাকলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বাংলাদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৬:২৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
অভিবাসন ভিসা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র এবার বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস মেয়াদি, একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। সোমবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করবে—সে বিষয়ে একটি তথ্যবার্তায় এ ঘোষণা দেয়।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

কীভাবে কাজ করবে ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম

মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী—

ভিসা ইন্টারভিউর পর যোগ্য বিবেচিত হলে কনসুলার কর্মকর্তা pay.gov–এর সরাসরি লিংকসহ বন্ড পরিশোধের নির্দেশনা দেবেন।

ভিসা অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা বন্ড পরিশোধ করতে হবে।

সর্বোচ্চ তিন মাসের জন্য একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়া হবে।

নির্ধারিত কিছু পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে।

ভিসার সব শর্ত পূরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে এলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং জমা অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

শর্তের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ না করা এবং সময়মতো দেশত্যাগ করা।

সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের ঝুঁকি

বাংলাদেশের নাম ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে থেকে যাওয়া (ওভারস্টে) নিরুৎসাহিত করা।

নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক

ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছ—

বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS)

জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK)

ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)

নির্ধারিত এই পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, ফলে অর্থ ফেরত পাওয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তালিকাভুক্ত অন্যান্য দেশ

বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডা। দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

কী এই ভিসা বন্ড

ভিসা বন্ড হলো একধরনের ফেরতযোগ্য আর্থিক জামানত, যা ভিসার শর্ত—বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরা—মানা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়। নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে কেউ অনুমোদিত সময়ের বেশি থাকলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে।