ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অনৈতিক কাজে জড়িত কাউকে ছাড় দেব না। আমাদের দলের হলেও না। যে কোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। দুর্নীতি যেই করুক, যারাই করুক– সবার ক্ষেত্রে আইন সমানভাবে প্রয়োগ হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে।

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের বড় একটি দাবি রয়েছে। বিএনপি সরকারের আমলে খালেদা জিয়া সেই দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের অভাবে এটি সম্পন্ন করতে পারেননি। পরে ১৫ বছর এ নিয়ে কোনো কাজ করা হয়নি। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন করা হবে।

বিএনপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে সবাইকে। একই সঙ্গে দেশে যেসব পরিবর্তন আনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের জয়ী করতে হবে।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময় আমরা আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও একইভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমাদের সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ নিয়ে অনেক কথা বলতে পারি, তবে বলব না। এতে আমাদের কী উপকার হবে? মানুষের পেট ভরবে? ভরবে না। যেদিন দেশের মাটিতে পা রেখেছিলাম, সেদিন বলেছিলাম, দেশের তরুণ-যুবক কাজ চায়, কর্মসংস্থান চায়। নিরাপদ পরিবেশ চায়। চট্টগ্রামের মানুষও সেই পরিবেশ চায়।

দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। এ সময় দলের নেতাকর্মীরা হাত নেড়ে তাঁকে অভিবাদন জানান। তিনি এই অভিবাদনের জবাব দেন। এ সময় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনারা ক্যান আছন? (আপনারা কেমন আছেন)।’ উপস্থিত নেতাকর্মীরাও আঞ্চলিক ভাষায় জবাব দেন– ‘আঁরা ভালো আছি (আমরা ভালো আছি)।’

লাখো মানুষের এই মহাসমাবেশে প্রায় আধঘণ্টা বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যান। মাঠ ছাড়াও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্য শোনেন নেতাকর্মীরা। মঞ্চের এক পাশে গুম ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের আলাদা করে বসানোর ব্যবস্থা করা হয়। মহাসমাবেশে যোগ দেন কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পাহাড়ি নারীদের অনেকেই নিজেদের সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে থামি কাপড় পরে সমাবেশে যোগ দেন। ফলে সমাবেশ হয়ে ওঠে উৎসব মুখর ও বৈচিত্র্যময়। সমাবেশে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের ভোট দিলেই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তাদের কাছ থেকে জবাবদিহি চাইতে পারবেন।

বিএনপিই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ১৬ বছর দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তাই পরিবর্তনের জন্য ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এসেছে। বাংলাদেশের মানুষ চায় নিরাপদ পরিবেশ, নিরাপদ চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সন্তানের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

এ সময় তিনি তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে বিএনপি এসব পরিকল্পনা তৈরি করছে জানিয়ে বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে আমাদের তরুণ-যুবারা শুধু সনদনির্ভর শিক্ষাই পাবে না, একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হবে, যাতে শিক্ষা জীবন শেষে তারা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সহজেই করে নিতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, জনসংখ্যার অর্ধেক তরুণ, যারা কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন চায়। আমরা চেষ্টা করছি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে। বিএনপি সরকারের সময় আমরা লাখ লাখ মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছি। চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলো সেই কর্মসংস্থানের উদাহরণ। নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও ইপিজেড তৈরি করা হবে, যাতে যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান বাড়ে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে। চট্টগ্রামসহ দেশের জলাবদ্ধতা ও বন্যা সমস্যা দূর করতে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হবে।

এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার ও এসএম ফজলুল হক, সুকোমল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী সরোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রামে-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

সমাবেশে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বিএনপি অর্থনৈতিক গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায়। অনেকে বলেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হবে। আমরা বলি, চট্টগ্রামকে শুধু বাণিজ্যিক রাজধানী নয়, অর্থনৈতিক হাবে পরিণত করা হবে। বাণিজ্যিক রাজধানীর চেয়েও বেশি কিছু করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার পতাকা সমুন্নত রাখতে সবার আগে বাংলাদেশ। খালেদা জিয়ার হাত ধরে সেই পতাকা এখন তারেক রহমানের হাতে। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

এদিকে সমাবেশ শেষ করে চট্টগ্রাম নগর থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে রওনা দিলে মিরসরাইয়ে হাজারো নেতাকর্মী তারেক রহমানের গাড়ি ঘিরে ধরেন। রোববার দুপুর ২টার পর উপজেলার বড় দারোগার হাট, বড়তাকিয়া, মিরসরাই সদর, মাস্তাননগর বিশ্বরোড ও বারৈয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় প্রিয় নেতাকে দেখতে অবস্থান নেন নেতাকর্মী সমর্থকরা। এ সময় তারেক রহমান হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

‘দুর্নীতির লাগাম টানতে ধানের শীষকে জয়ী করুন’ 
ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রোববার সন্ধ্যায় নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান বলেছেন, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া কাজ আবার চালু করব। শহীদ জিয়ার কর্মসূচিগুলো আবার চালু করব, যাতে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়।

ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-২ আসনের প্রার্থী জয়নাল আবদীন, ফেনী-১ আসনের প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মশিউর রহমান বিপ্লব, আবু তালেব প্রমুখ।

পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমি দেশে এসে বলেছিলাম, দেশের মানুষের জন্য কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছি। দেশের নারী সমাজ, যারা খেটে খাওয়া মানুষ তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড করতে চাই। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে একজন গৃহিণী অল্প হলেও কিছু সহযোগিতা পাবে। কেউ কেউ বলছেন, এই অল্প সহযোগিতা দিয়ে কী সংসার চলবে? আমরাও জানি চলবে না। এক মাসের চার সপ্তাহ, অন্তত এক সপ্তাহ যদি সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করতে পারি, সেটিও অনেক মানুষের জন্য বড় সুবিধা। গৃহিণীর জন্য যেমন ফ্যামিলি কার্ড, তেমনি কৃষকের জন্য আমরা কৃষক কার্ড দিতে চাই। এর মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরাসরি পৌঁছে দিতে চাই।

ফেনীবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা মেডিকেল কলেজ করব; কিন্তু গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসা সুবিধা পায় সে জন্য সারাদেশে হেলথকেয়ার করতে চাই। যাদের কাজ হবে ঘরে ঘরে মা-বোনের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের উন্নয়নে যেমন দাবি আছে, তেমনি বিএনপিরও আপনাদের কাছে একটি দাবি আছে। ধানের শীষকে জয়যুক্ত করাই সেই দাবি।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ সাক্ষী আছে, কীভাবে ১৫ বছর মানুষের কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকার দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আজ একটি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

জনসভায় বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান।

‘ফজরের নামাজ পড়ে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে হবে’
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রোববার রাতে আয়োজিত সমাবেশে তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হতে পারে। সকালে ভোটকেন্দ্রে এলে হবে না। বাড়িতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহারা দিতে হবে।

প্রায় ২০ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল কাটা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের সামনে কোনো পরিকল্পনা দেয়নি। তারা শুধু বিএনপির বদনাম বলে যাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দরিদ্র ও খেটে খাওয়া লোকজন যেন উপকৃত হয়, এমন ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা করা হবে। মসজিদের ইমাম এবং খতিবদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে সম্মানী ভাতা দেওয়া হবে। তাদের কম্পিউটারসহ বিভিন্ন রকমের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভালো থাকলে সবায় ভালো থাকবে। তাই বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে ভালো মানুষকে জয়ী করতে হবে। তাই আগামী ১২ ফেব্রুযারি কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য শেষে তারেক রহমান কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করার আহবান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী মো. কামরুল হুদা, মোনায়েম মুন্না প্রমুখ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০২:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অনৈতিক কাজে জড়িত কাউকে ছাড় দেব না। আমাদের দলের হলেও না। যে কোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। দুর্নীতি যেই করুক, যারাই করুক– সবার ক্ষেত্রে আইন সমানভাবে প্রয়োগ হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে।

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের বড় একটি দাবি রয়েছে। বিএনপি সরকারের আমলে খালেদা জিয়া সেই দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের অভাবে এটি সম্পন্ন করতে পারেননি। পরে ১৫ বছর এ নিয়ে কোনো কাজ করা হয়নি। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন করা হবে।

বিএনপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে সবাইকে। একই সঙ্গে দেশে যেসব পরিবর্তন আনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের জয়ী করতে হবে।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময় আমরা আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও একইভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমাদের সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ নিয়ে অনেক কথা বলতে পারি, তবে বলব না। এতে আমাদের কী উপকার হবে? মানুষের পেট ভরবে? ভরবে না। যেদিন দেশের মাটিতে পা রেখেছিলাম, সেদিন বলেছিলাম, দেশের তরুণ-যুবক কাজ চায়, কর্মসংস্থান চায়। নিরাপদ পরিবেশ চায়। চট্টগ্রামের মানুষও সেই পরিবেশ চায়।

দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। এ সময় দলের নেতাকর্মীরা হাত নেড়ে তাঁকে অভিবাদন জানান। তিনি এই অভিবাদনের জবাব দেন। এ সময় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনারা ক্যান আছন? (আপনারা কেমন আছেন)।’ উপস্থিত নেতাকর্মীরাও আঞ্চলিক ভাষায় জবাব দেন– ‘আঁরা ভালো আছি (আমরা ভালো আছি)।’

লাখো মানুষের এই মহাসমাবেশে প্রায় আধঘণ্টা বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যান। মাঠ ছাড়াও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্য শোনেন নেতাকর্মীরা। মঞ্চের এক পাশে গুম ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের আলাদা করে বসানোর ব্যবস্থা করা হয়। মহাসমাবেশে যোগ দেন কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পাহাড়ি নারীদের অনেকেই নিজেদের সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে থামি কাপড় পরে সমাবেশে যোগ দেন। ফলে সমাবেশ হয়ে ওঠে উৎসব মুখর ও বৈচিত্র্যময়। সমাবেশে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের ভোট দিলেই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তাদের কাছ থেকে জবাবদিহি চাইতে পারবেন।

বিএনপিই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ১৬ বছর দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তাই পরিবর্তনের জন্য ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এসেছে। বাংলাদেশের মানুষ চায় নিরাপদ পরিবেশ, নিরাপদ চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সন্তানের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

এ সময় তিনি তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে বিএনপি এসব পরিকল্পনা তৈরি করছে জানিয়ে বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে আমাদের তরুণ-যুবারা শুধু সনদনির্ভর শিক্ষাই পাবে না, একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হবে, যাতে শিক্ষা জীবন শেষে তারা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সহজেই করে নিতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, জনসংখ্যার অর্ধেক তরুণ, যারা কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন চায়। আমরা চেষ্টা করছি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে। বিএনপি সরকারের সময় আমরা লাখ লাখ মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছি। চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলো সেই কর্মসংস্থানের উদাহরণ। নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও ইপিজেড তৈরি করা হবে, যাতে যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান বাড়ে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে। চট্টগ্রামসহ দেশের জলাবদ্ধতা ও বন্যা সমস্যা দূর করতে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হবে।

এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার ও এসএম ফজলুল হক, সুকোমল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী সরোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রামে-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

সমাবেশে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বিএনপি অর্থনৈতিক গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায়। অনেকে বলেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হবে। আমরা বলি, চট্টগ্রামকে শুধু বাণিজ্যিক রাজধানী নয়, অর্থনৈতিক হাবে পরিণত করা হবে। বাণিজ্যিক রাজধানীর চেয়েও বেশি কিছু করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার পতাকা সমুন্নত রাখতে সবার আগে বাংলাদেশ। খালেদা জিয়ার হাত ধরে সেই পতাকা এখন তারেক রহমানের হাতে। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

এদিকে সমাবেশ শেষ করে চট্টগ্রাম নগর থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে রওনা দিলে মিরসরাইয়ে হাজারো নেতাকর্মী তারেক রহমানের গাড়ি ঘিরে ধরেন। রোববার দুপুর ২টার পর উপজেলার বড় দারোগার হাট, বড়তাকিয়া, মিরসরাই সদর, মাস্তাননগর বিশ্বরোড ও বারৈয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় প্রিয় নেতাকে দেখতে অবস্থান নেন নেতাকর্মী সমর্থকরা। এ সময় তারেক রহমান হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

‘দুর্নীতির লাগাম টানতে ধানের শীষকে জয়ী করুন’ 
ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রোববার সন্ধ্যায় নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান বলেছেন, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া কাজ আবার চালু করব। শহীদ জিয়ার কর্মসূচিগুলো আবার চালু করব, যাতে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়।

ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-২ আসনের প্রার্থী জয়নাল আবদীন, ফেনী-১ আসনের প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মশিউর রহমান বিপ্লব, আবু তালেব প্রমুখ।

পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমি দেশে এসে বলেছিলাম, দেশের মানুষের জন্য কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছি। দেশের নারী সমাজ, যারা খেটে খাওয়া মানুষ তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড করতে চাই। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে একজন গৃহিণী অল্প হলেও কিছু সহযোগিতা পাবে। কেউ কেউ বলছেন, এই অল্প সহযোগিতা দিয়ে কী সংসার চলবে? আমরাও জানি চলবে না। এক মাসের চার সপ্তাহ, অন্তত এক সপ্তাহ যদি সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করতে পারি, সেটিও অনেক মানুষের জন্য বড় সুবিধা। গৃহিণীর জন্য যেমন ফ্যামিলি কার্ড, তেমনি কৃষকের জন্য আমরা কৃষক কার্ড দিতে চাই। এর মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরাসরি পৌঁছে দিতে চাই।

ফেনীবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা মেডিকেল কলেজ করব; কিন্তু গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসা সুবিধা পায় সে জন্য সারাদেশে হেলথকেয়ার করতে চাই। যাদের কাজ হবে ঘরে ঘরে মা-বোনের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের উন্নয়নে যেমন দাবি আছে, তেমনি বিএনপিরও আপনাদের কাছে একটি দাবি আছে। ধানের শীষকে জয়যুক্ত করাই সেই দাবি।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ সাক্ষী আছে, কীভাবে ১৫ বছর মানুষের কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকার দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আজ একটি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

জনসভায় বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান।

‘ফজরের নামাজ পড়ে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে হবে’
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রোববার রাতে আয়োজিত সমাবেশে তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হতে পারে। সকালে ভোটকেন্দ্রে এলে হবে না। বাড়িতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহারা দিতে হবে।

প্রায় ২০ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল কাটা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের সামনে কোনো পরিকল্পনা দেয়নি। তারা শুধু বিএনপির বদনাম বলে যাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দরিদ্র ও খেটে খাওয়া লোকজন যেন উপকৃত হয়, এমন ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা করা হবে। মসজিদের ইমাম এবং খতিবদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে সম্মানী ভাতা দেওয়া হবে। তাদের কম্পিউটারসহ বিভিন্ন রকমের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভালো থাকলে সবায় ভালো থাকবে। তাই বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে ভালো মানুষকে জয়ী করতে হবে। তাই আগামী ১২ ফেব্রুযারি কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য শেষে তারেক রহমান কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করার আহবান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী মো. কামরুল হুদা, মোনায়েম মুন্না প্রমুখ।