ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এম নাজমুল ইসলামকে। ১০ দিন না পেরোতে তিনি আবারও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে ফিরেছেন।

গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন এম নাজমুল ইসলাম। সেখানেই তাকে পুনরায় অর্থ বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিসিবির এক পরিচালক বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

নাজমুল ইসলামকে ঘিরে বৈঠকের পর বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলাম তার কাছে যেসব জবাব চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ বোর্ডের শোকজ নোটিসের যে জবাব, তা শৃঙ্খলা বিভাগে পাঠিয়েছেন। বিসিবির শৃঙ্খলা বিভাগ জানিয়েছে, তার জবাব সন্তোষজনক।’

এর আগে তামিম ইকবালকে নিয়ে মন্তব্যসহ বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন এম নাজমুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তিনি ক্রিকেটারদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলেন। এসব ঘটনায় ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ সব বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কট করেন। এর পরপরই বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে শোকজ নোটিস দেয়। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়।

নাজমুল ইসলাম নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিসিবিকে তার ব্যাখ্যা দেন। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বোর্ড সরাসরি কোনো পরিচালককে অপসারণ করতে পারে না। চার বছরের জন্য নির্বাচিত কোনো পরিচালকের পদ কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শূন্য ঘোষণা করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া অথবা টানা তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৬:১২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এম নাজমুল ইসলামকে। ১০ দিন না পেরোতে তিনি আবারও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে ফিরেছেন।

গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন এম নাজমুল ইসলাম। সেখানেই তাকে পুনরায় অর্থ বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিসিবির এক পরিচালক বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

নাজমুল ইসলামকে ঘিরে বৈঠকের পর বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলাম তার কাছে যেসব জবাব চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ বোর্ডের শোকজ নোটিসের যে জবাব, তা শৃঙ্খলা বিভাগে পাঠিয়েছেন। বিসিবির শৃঙ্খলা বিভাগ জানিয়েছে, তার জবাব সন্তোষজনক।’

এর আগে তামিম ইকবালকে নিয়ে মন্তব্যসহ বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন এম নাজমুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তিনি ক্রিকেটারদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলেন। এসব ঘটনায় ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ সব বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কট করেন। এর পরপরই বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে শোকজ নোটিস দেয়। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়।

নাজমুল ইসলাম নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিসিবিকে তার ব্যাখ্যা দেন। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বোর্ড সরাসরি কোনো পরিচালককে অপসারণ করতে পারে না। চার বছরের জন্য নির্বাচিত কোনো পরিচালকের পদ কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শূন্য ঘোষণা করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া অথবা টানা তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা।