ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আমন্ত্রণই বাতিল! ‘বোর্ড অব পিস’-এ কানাডাকে ডেকেও মতবদল ট্রাম্পের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনা এক নতুন মোড় নিয়েছে। নবগঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে দেওয়া আমন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প লিখেন, “অনুগ্রহ করে এই চিঠিটিকে এই মর্মে বিবেচনা করুন যে, বোর্ড অব পিস আপনার প্রতি দেওয়া কানাডার যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।” তবে আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের পেছনে ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই টানাপোড়েনের মূলে রয়েছে সদস্যপদ ফি। ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের পরিচালনার ব্যয়ভার বহনের জন্য ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার ফি দিতে হবে। তবে অটোয়া স্পষ্ট জানিয়েছিল, তারা এই অর্থ পরিশোধ করতে রাজি নয়। এছাড়া গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থায় একটি ‘ফাটল’ ধরার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, যা ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করে থাকতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী এবং এটিকে বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনের নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরছেন। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান আন্তোনিও কোস্তা এই বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও গাজা ইস্যুতে সংস্থাটির সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবেশী দুই দেশের এমন বৈরী সম্পর্ক উত্তর আমেরিকার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আমন্ত্রণই বাতিল! ‘বোর্ড অব পিস’-এ কানাডাকে ডেকেও মতবদল ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৮:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনা এক নতুন মোড় নিয়েছে। নবগঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে দেওয়া আমন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প লিখেন, “অনুগ্রহ করে এই চিঠিটিকে এই মর্মে বিবেচনা করুন যে, বোর্ড অব পিস আপনার প্রতি দেওয়া কানাডার যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।” তবে আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের পেছনে ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই টানাপোড়েনের মূলে রয়েছে সদস্যপদ ফি। ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের পরিচালনার ব্যয়ভার বহনের জন্য ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার ফি দিতে হবে। তবে অটোয়া স্পষ্ট জানিয়েছিল, তারা এই অর্থ পরিশোধ করতে রাজি নয়। এছাড়া গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থায় একটি ‘ফাটল’ ধরার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, যা ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করে থাকতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী এবং এটিকে বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনের নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরছেন। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান আন্তোনিও কোস্তা এই বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও গাজা ইস্যুতে সংস্থাটির সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবেশী দুই দেশের এমন বৈরী সম্পর্ক উত্তর আমেরিকার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।