ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের সংহতি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক সংকট নিরসন এবং ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। একইসঙ্গে দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই সংহতি ও দাবি জানান।

বিবৃতিতে শিবির নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটানো। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে খসড়া অধ্যাদেশ প্রস্তুত ও বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও অজ্ঞাত কারণে তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। একটি স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তের অভাবে সাত কলেজের লাখো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন আজ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। প্রশাসনিক এই স্থবিরতা কেবল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করছে না; বরং তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করছে। আমরা মনে করি, শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবি নিয়ে কালক্ষেপণ করা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তারা বলেন, সাত কলেজের সংকট নিরসনে একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সমন্বয়হীনতার বোঝা শিক্ষার্থীরা আর বইতে রাজি নয়। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। সংকটের সমাধান না করে কালক্ষেপণ করা হলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে, যার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে। আমরা সরকারের নিকট অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

শিবির নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হওয়া জাতির জন্য সুখকর নয়। আমরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংযমী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, সরকার অনতিবিলম্বে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনায় আশাবাদী হোয়াইট হাউস

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের সংহতি

আপডেট সময় ০২:৪৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক সংকট নিরসন এবং ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। একইসঙ্গে দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই সংহতি ও দাবি জানান।

বিবৃতিতে শিবির নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটানো। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে খসড়া অধ্যাদেশ প্রস্তুত ও বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও অজ্ঞাত কারণে তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। একটি স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তের অভাবে সাত কলেজের লাখো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন আজ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। প্রশাসনিক এই স্থবিরতা কেবল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করছে না; বরং তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করছে। আমরা মনে করি, শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবি নিয়ে কালক্ষেপণ করা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তারা বলেন, সাত কলেজের সংকট নিরসনে একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সমন্বয়হীনতার বোঝা শিক্ষার্থীরা আর বইতে রাজি নয়। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। সংকটের সমাধান না করে কালক্ষেপণ করা হলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে, যার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে। আমরা সরকারের নিকট অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

শিবির নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হওয়া জাতির জন্য সুখকর নয়। আমরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংযমী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, সরকার অনতিবিলম্বে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481