ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো সংস্কারে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। সারাদেশে জরাজীর্ণ প্রায় সাড়ে ৯’শ ভোটকেন্দ্রকে দ্রুত নির্বাচনের উপযোগী করতে ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব সংষ্কার কাজের স্বচ্ছতা ও গতি নিশ্চিত করতে দুই স্তুরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব সংষ্কার বাস্তবায়ন করবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি)।

গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তার আগে নির্বাচনী কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী, সারাদেশে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত জরাজীর্ণ ভবনের তালিকা করে স্থানীয় প্রশাসন। সেই তালিকা ধরেই এ বরাদ্দ দেওয়া হল। এসব বরাদ্দ তদারকি করতে উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে দুই স্তরের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সারাদেশে স্থানীয় প্রশাসন ভোট কেন্দ্রে হিসেবে ব্যবহৃত জরাজীর্ণ ৯৪৭টি ভোটকেন্দ্রকে অবকাঠামোগতভাবে জরাজীর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। এসব প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা-জানালা ভাঙাচোরা কিংবা স্যানিটেশন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে। ভোটার ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই জরুরি মেরামত জরুরি। এসব সংস্কার কাজ সরাসরি তদারকির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই ধরনের কমিটি করেছে। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য থাকবেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করবেন। আর সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে যেসব এলাকায় ইউএনও নেই সেখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। আর ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অবস্থা মূল্যায়ন ও দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য পৃথক কমিটি কাজ করবে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জানায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও পুনর্বাসন’ খাত থেকে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ মূলত শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা মেরামত, ছাদের লিকেজ বন্ধ ও ভবনের সংস্কার, বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতকরণ এবং শৌচাগার ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ খাতে ব্যয় হবে। ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারের ডিডিও অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়াও চলতি বছর ঝুকিপূর্ণ নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।

তার আগে গত ৬ নভেম্বর ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে বাউন্ডারি বা সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা-জানালা জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে কিংবা ছোটোখাটো মেরামতের প্রয়োজন—এমন প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়ে চিঠি দেয় ইসি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি

আপডেট সময় ০২:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো সংস্কারে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। সারাদেশে জরাজীর্ণ প্রায় সাড়ে ৯’শ ভোটকেন্দ্রকে দ্রুত নির্বাচনের উপযোগী করতে ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব সংষ্কার কাজের স্বচ্ছতা ও গতি নিশ্চিত করতে দুই স্তুরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব সংষ্কার বাস্তবায়ন করবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি)।

গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তার আগে নির্বাচনী কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী, সারাদেশে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত জরাজীর্ণ ভবনের তালিকা করে স্থানীয় প্রশাসন। সেই তালিকা ধরেই এ বরাদ্দ দেওয়া হল। এসব বরাদ্দ তদারকি করতে উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে দুই স্তরের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সারাদেশে স্থানীয় প্রশাসন ভোট কেন্দ্রে হিসেবে ব্যবহৃত জরাজীর্ণ ৯৪৭টি ভোটকেন্দ্রকে অবকাঠামোগতভাবে জরাজীর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। এসব প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা-জানালা ভাঙাচোরা কিংবা স্যানিটেশন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে। ভোটার ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই জরুরি মেরামত জরুরি। এসব সংস্কার কাজ সরাসরি তদারকির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই ধরনের কমিটি করেছে। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য থাকবেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে কাজ করবেন। আর সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে যেসব এলাকায় ইউএনও নেই সেখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। আর ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অবস্থা মূল্যায়ন ও দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য পৃথক কমিটি কাজ করবে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জানায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও পুনর্বাসন’ খাত থেকে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ মূলত শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা মেরামত, ছাদের লিকেজ বন্ধ ও ভবনের সংস্কার, বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতকরণ এবং শৌচাগার ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ খাতে ব্যয় হবে। ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারের ডিডিও অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়াও চলতি বছর ঝুকিপূর্ণ নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।

তার আগে গত ৬ নভেম্বর ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে বাউন্ডারি বা সীমানা প্রাচীর নেই, দরজা-জানালা জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে কিংবা ছোটোখাটো মেরামতের প্রয়োজন—এমন প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়ে চিঠি দেয় ইসি।