ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

৮০ হাজার কোটি ডলার চায় ইউক্রেন, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বললেন—‘টাকা গাছে ধরে না’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে ৮০০ বিলিয়ন ডলার দাবি করেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন। এমন ‘আকাশকুসুম’ অর্থ সহায়তার বিষয়টি ভালোভাবে নেননি হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের। তিনি সাফ বলে দিয়েছেন, ‘টাকা গাছে ধরে না’।

ইউক্রেনকে অর্থায়নের পরিণতি নিয়ে হাঙ্গেরির ইইউ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে এমনটাই লিখেছেন।

তিনি লিখেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, টাকা গাছে ধরে না। আগামী ১০ বছরে ইউরোপীয়দের কাছে ৮০ হাজার কোটি ডলার দাবি করছে ইউক্রেনীয়রা। এর অর্থ হাঙ্গেরিকেও ৯০০ কোটি ডলারের বেশি আর্থিক বোঝা বইতে হবে। এই অর্থ আসবে কোথা থেকে?’

অরবান বলেছেন, ইউক্রেনকে অর্থায়ন করবে না হাঙ্গেরি। রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইইউ নেতাদের লক্ষ্যকে সমর্থনও দেবে না দেশটি।

হাঙ্গেরি সরকারের প্রকাশিত নথিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনকে আর্থিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা হিসেবে মোট ১৯ হাজার ৩৩০ কোটি ইউরো প্রদান করেছে।

এর একটি অংশ এসেছে পশ্চিমা দেশগুলোতে জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত আয় থেকে। প্রতিবেদনে তুলনা টেনে বলা হয়, ‘২০০৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইইউ থেকে হাঙ্গেরি নিট সহায়তা পেয়েছে ৭৩০ কোটি ইউরো।’

নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইউক্রেনকে ৯ হাজার কোটি ইউরো ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত দেয় ইউরোপীয় কাউন্সিল। কিয়েভ কখনোই এই অর্থ পরিশোধ করবে না। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, পরবর্তী সাত বছরের ইইউ বাজেট থেকে ৩৬ হাজার কোটি ইউরোরও বেশি পেতে পারে ইউক্রেন।

এছাড়া সামরিক ব্যয় বাদ দিয়ে আগামী ১০ বছরে পুনর্গঠনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে ৮০ হাজার কোটি ডলার সহায়তা আশা করছে কিয়েভ। প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়, হাঙ্গেরি যদি এতে সম্মতি দেয়, তবে তাকে এই অর্থের ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ৯২৯ কোটি ডলার বহন করতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

৮০ হাজার কোটি ডলার চায় ইউক্রেন, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বললেন—‘টাকা গাছে ধরে না’

আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে ৮০০ বিলিয়ন ডলার দাবি করেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন। এমন ‘আকাশকুসুম’ অর্থ সহায়তার বিষয়টি ভালোভাবে নেননি হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের। তিনি সাফ বলে দিয়েছেন, ‘টাকা গাছে ধরে না’।

ইউক্রেনকে অর্থায়নের পরিণতি নিয়ে হাঙ্গেরির ইইউ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে এমনটাই লিখেছেন।

তিনি লিখেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, টাকা গাছে ধরে না। আগামী ১০ বছরে ইউরোপীয়দের কাছে ৮০ হাজার কোটি ডলার দাবি করছে ইউক্রেনীয়রা। এর অর্থ হাঙ্গেরিকেও ৯০০ কোটি ডলারের বেশি আর্থিক বোঝা বইতে হবে। এই অর্থ আসবে কোথা থেকে?’

অরবান বলেছেন, ইউক্রেনকে অর্থায়ন করবে না হাঙ্গেরি। রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইইউ নেতাদের লক্ষ্যকে সমর্থনও দেবে না দেশটি।

হাঙ্গেরি সরকারের প্রকাশিত নথিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনকে আর্থিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা হিসেবে মোট ১৯ হাজার ৩৩০ কোটি ইউরো প্রদান করেছে।

এর একটি অংশ এসেছে পশ্চিমা দেশগুলোতে জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত আয় থেকে। প্রতিবেদনে তুলনা টেনে বলা হয়, ‘২০০৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইইউ থেকে হাঙ্গেরি নিট সহায়তা পেয়েছে ৭৩০ কোটি ইউরো।’

নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইউক্রেনকে ৯ হাজার কোটি ইউরো ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত দেয় ইউরোপীয় কাউন্সিল। কিয়েভ কখনোই এই অর্থ পরিশোধ করবে না। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, পরবর্তী সাত বছরের ইইউ বাজেট থেকে ৩৬ হাজার কোটি ইউরোরও বেশি পেতে পারে ইউক্রেন।

এছাড়া সামরিক ব্যয় বাদ দিয়ে আগামী ১০ বছরে পুনর্গঠনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে ৮০ হাজার কোটি ডলার সহায়তা আশা করছে কিয়েভ। প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়, হাঙ্গেরি যদি এতে সম্মতি দেয়, তবে তাকে এই অর্থের ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ৯২৯ কোটি ডলার বহন করতে হবে।