ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে জনগণ অধিকার ফিরে পাবে না: তাসনিম জারা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
এনসিপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, আমরা যদি জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো না।

বাংলাদেশে বিদ্যমান সমাজব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামো খুবই দুর্বল—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের যে বিদ্যমান ব্যবস্থা আছে সেখানে কিন্তু গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামোটা খুব দুর্বল। যারা জনগণের ভোটে সংসদে যাচ্ছেন তারা কিন্তু দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে আর এমপি থাকতে পারছেন না। অর্থাৎ জনগণের ভোটে তারা সংসদে যাচ্ছেন, কিন্তু জনপ্রতিনিধি হওয়ার উপায়টা তাদের জন্য সাংবিধানিকভাবেই বন্ধ করা আছে।

ডা. জারা বলেন, তাহলে কি তারা (এমপিরা) ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে? সংবিধানে আছে, ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে পার্লামেন্ট। কিন্তু পার্লামেন্টের আবার হাত-পা বাঁধা। কারণ, তারা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারছেন না।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ সংলাপ আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক ফ্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ।

তাসনিম জারা বলেন, আমাদের যে মন্ত্রীরা আছেন প্রধানমন্ত্রী আছেন তারা যদি দুর্নীতি করেন তাহলে জবাবদিহি কে নেবে? দুর্নীতি দমন কমিশন? কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের যে কমিশনার তাকে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট। আবার প্রেসিডেন্টের এই কাজটা করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে। তাহলে তো আর জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকলো না। কারণ, যে যার জবাবদিহি নেবে সেই তাকে নিয়োগ করছে। সেজন্য এখানে জবাবদিহির কাঠামো খুব দুর্বলই থেকে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনও জবাবদিহির মধ্যে আনার উপায় নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রী-এমপি হবেন তারা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন তখন জবাবদিহি কে চাইবে? কোন প্রতিষ্ঠান চাইবে? মানবাধিকার কমিশন করতে পারে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশনের ক্ষেত্রেও যারা কমিশনের কমিটিতে থাকছেন তাদের বাছাই কমিটিতে আছেন আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকা-৯ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি দুর্নীতি করেন তার জবাবদিহির জন্য যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষভাবে কাজ করা থেকে বিরত থাকে। কারণ, যাকে তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে সে-ই তার নিয়োগকর্তা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে জনগণ অধিকার ফিরে পাবে না: তাসনিম জারা

আপডেট সময় ০৭:১৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
এনসিপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, আমরা যদি জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো না।

বাংলাদেশে বিদ্যমান সমাজব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামো খুবই দুর্বল—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের যে বিদ্যমান ব্যবস্থা আছে সেখানে কিন্তু গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামোটা খুব দুর্বল। যারা জনগণের ভোটে সংসদে যাচ্ছেন তারা কিন্তু দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে আর এমপি থাকতে পারছেন না। অর্থাৎ জনগণের ভোটে তারা সংসদে যাচ্ছেন, কিন্তু জনপ্রতিনিধি হওয়ার উপায়টা তাদের জন্য সাংবিধানিকভাবেই বন্ধ করা আছে।

ডা. জারা বলেন, তাহলে কি তারা (এমপিরা) ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে? সংবিধানে আছে, ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে পার্লামেন্ট। কিন্তু পার্লামেন্টের আবার হাত-পা বাঁধা। কারণ, তারা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারছেন না।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ সংলাপ আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক ফ্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ।

তাসনিম জারা বলেন, আমাদের যে মন্ত্রীরা আছেন প্রধানমন্ত্রী আছেন তারা যদি দুর্নীতি করেন তাহলে জবাবদিহি কে নেবে? দুর্নীতি দমন কমিশন? কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের যে কমিশনার তাকে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট। আবার প্রেসিডেন্টের এই কাজটা করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে। তাহলে তো আর জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকলো না। কারণ, যে যার জবাবদিহি নেবে সেই তাকে নিয়োগ করছে। সেজন্য এখানে জবাবদিহির কাঠামো খুব দুর্বলই থেকে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনও জবাবদিহির মধ্যে আনার উপায় নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রী-এমপি হবেন তারা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন তখন জবাবদিহি কে চাইবে? কোন প্রতিষ্ঠান চাইবে? মানবাধিকার কমিশন করতে পারে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশনের ক্ষেত্রেও যারা কমিশনের কমিটিতে থাকছেন তাদের বাছাই কমিটিতে আছেন আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকা-৯ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি দুর্নীতি করেন তার জবাবদিহির জন্য যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষভাবে কাজ করা থেকে বিরত থাকে। কারণ, যাকে তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে সে-ই তার নিয়োগকর্তা।