ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

দিল্লিতে মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন স্থাপনা ধ্বংস

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতের দিল্লির রামলিলা ময়দান এলাকায় একটি মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন স্থাপনা অবৈধ বলে অভিযোগ এনে ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে ওই স্থাপনাগুলো অবৈধ নয় বলে জানায় মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। এমন পরিস্থিতিতে এলাকায় ব্যাপকভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।

বুধবার ভোরে রামলিলা ময়দানের কাছে তুর্কমান গেটের ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের আশপাশে ৩০০ কর্মীর সহায়তায় ১৭টি বুলডোজার ব্যবহার করে ভাঙন অভিযান চালায় দিল্লি পৌর কর্পোরেশন (এমসিডি)। এর জের ধরে ওই এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে ৫ পুলিশ আহত হন। খবর এনডিটিভির।

দিল্লি পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্ছেদ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো এলাকা ৯টি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসিপি) পদমর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা। সংবেদনশীল সব পয়েন্টে মোতায়েন করা হয় পর্যাপ্ত পুলিশ।

উচ্ছেদ অভিযানের আগে শান্তি বজায় রাখতে আমান কমিটি ও স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভাও করে প্রশাসন। সম্ভাব্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ও আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও জানায় পুলিশ।

জানা গেছে, মসজিদটিতে তাবলিগ জামাতের একাংশের (মাওলানা সাদবিরোধী অংশ) কার্যক্রম চলতো। এ উচ্ছেদ অভিযানে তাদের ব্যবহৃত কিছু অংশও ভাঙা পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘এই মসজিদ এই দরগাহ ফাইজ এলাহির নামে। প্রায় ১৭ শতক থেকে এটি আছে। তার মাজার আছে এখানে। কবরস্থান আছে একটা। সব প্রমাণই আছে এই জায়গা-কেন্দ্রিক। শুধু আমরা না, আমাদের পূর্বপুরুষরাও এ জায়গাকে জেনে এসেছেন। রামলীলা ময়দান নির্মাণেরও আগেকার এই এলাকা।’

ওয়াকফ বোর্ডকে ভাড়া দেয়ার বিনিময়ে বিতর্কিত জমিটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছে মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। জমিটি বিজ্ঞপ্তিকৃত ওয়াকফ সম্পত্তি দাবি করে আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জও করেছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। ওয়াকফ আইনে পরিচালিত বলে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালেরই এ ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তির এখতিয়ার রয়েছে বলে যুক্তি মসজিদ কমিটির।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

দিল্লিতে মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন স্থাপনা ধ্বংস

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের দিল্লির রামলিলা ময়দান এলাকায় একটি মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন স্থাপনা অবৈধ বলে অভিযোগ এনে ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে ওই স্থাপনাগুলো অবৈধ নয় বলে জানায় মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। এমন পরিস্থিতিতে এলাকায় ব্যাপকভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।

বুধবার ভোরে রামলিলা ময়দানের কাছে তুর্কমান গেটের ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের আশপাশে ৩০০ কর্মীর সহায়তায় ১৭টি বুলডোজার ব্যবহার করে ভাঙন অভিযান চালায় দিল্লি পৌর কর্পোরেশন (এমসিডি)। এর জের ধরে ওই এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে ৫ পুলিশ আহত হন। খবর এনডিটিভির।

দিল্লি পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্ছেদ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো এলাকা ৯টি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসিপি) পদমর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা। সংবেদনশীল সব পয়েন্টে মোতায়েন করা হয় পর্যাপ্ত পুলিশ।

উচ্ছেদ অভিযানের আগে শান্তি বজায় রাখতে আমান কমিটি ও স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভাও করে প্রশাসন। সম্ভাব্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ও আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও জানায় পুলিশ।

জানা গেছে, মসজিদটিতে তাবলিগ জামাতের একাংশের (মাওলানা সাদবিরোধী অংশ) কার্যক্রম চলতো। এ উচ্ছেদ অভিযানে তাদের ব্যবহৃত কিছু অংশও ভাঙা পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘এই মসজিদ এই দরগাহ ফাইজ এলাহির নামে। প্রায় ১৭ শতক থেকে এটি আছে। তার মাজার আছে এখানে। কবরস্থান আছে একটা। সব প্রমাণই আছে এই জায়গা-কেন্দ্রিক। শুধু আমরা না, আমাদের পূর্বপুরুষরাও এ জায়গাকে জেনে এসেছেন। রামলীলা ময়দান নির্মাণেরও আগেকার এই এলাকা।’

ওয়াকফ বোর্ডকে ভাড়া দেয়ার বিনিময়ে বিতর্কিত জমিটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছে মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। জমিটি বিজ্ঞপ্তিকৃত ওয়াকফ সম্পত্তি দাবি করে আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জও করেছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। ওয়াকফ আইনে পরিচালিত বলে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালেরই এ ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তির এখতিয়ার রয়েছে বলে যুক্তি মসজিদ কমিটির।