ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

এ সময় ভিডিওতে তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে তিনি ২০ বছরেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পতাকাতলে ছিলেন। সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে দাখিলকৃত প্রার্থীতা তিনি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে সকলের পাশে থাকতে দোয়া চান। এর আগে গত ২ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

প্রসঙ্গত, একসময় সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বোটক্লাবে তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে তার আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘোষণা দেয়া হয়।

তবে সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান এর দাবি তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে ৭টি মামলা হয়, যেগুলো এখনো চলমান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

আপডেট সময় ০১:২৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

এ সময় ভিডিওতে তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে তিনি ২০ বছরেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পতাকাতলে ছিলেন। সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে দাখিলকৃত প্রার্থীতা তিনি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে সকলের পাশে থাকতে দোয়া চান। এর আগে গত ২ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

প্রসঙ্গত, একসময় সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বোটক্লাবে তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে তার আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘোষণা দেয়া হয়।

তবে সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান এর দাবি তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে ৭টি মামলা হয়, যেগুলো এখনো চলমান।