ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ডিসি অফিস তর্কে জড়ালেন মঞ্জুরুল মুন্সী ও হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকদের মধ্যে তর্কে জড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন, এমন অভিযোগ তোলেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি। জাহাঙ্গীর আলম হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী বলে জানা গেছে।

শুক্রবার বেলা ২টা ৫০ মিনিটে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের সঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী বাহাসে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে দেখা দেয় হট্টগোল। প্রায় এক ঘণ্টা এ অবস্থা চলতে থাকে। এ সময় দুই পক্ষই তাঁদের দাবির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। তাঁরা দাবি করেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায় রয়েছে। ব্যাংকের ঋণখেলাপি হওয়ার পরও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে উচ্চ আদালত থেকে তিন মাসের একটি স্থগিতাদেশ এসেছেন তিনি। কিন্তু সেসব তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি।

এ সময় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আইনজীবী উপস্থাপন করেন, বিএনপি প্রার্থীর ব্যক্তিগত কোনো দায় নেই। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হওয়ায় সেই প্রতিষ্ঠানে দায় রয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনে অংশগ্রহণে যেন সমস্যা না হয়, সে জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন বিএনপি প্রার্থী। উচ্চ আদালত তিন মাসের জন্য সেটির স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়, তিনি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই হলফনামায় তথ্য দিয়েছেন।

এসময় দুই পক্ষের সমর্থকরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে উভয় পক্ষের নেতাদের পাশাপাশি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দুই পক্ষকে বারবার শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। প্রায় এক ঘণ্টা এমন পরিস্থিতির পর রিটার্নিং কর্মকর্তা বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেন। কোনো পক্ষ এই সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পরামর্শ দেন তিনি।

এর আগে, যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ডিসি অফিস তর্কে জড়ালেন মঞ্জুরুল মুন্সী ও হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকরা

আপডেট সময় ০৩:০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকদের মধ্যে তর্কে জড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন, এমন অভিযোগ তোলেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি। জাহাঙ্গীর আলম হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী বলে জানা গেছে।

শুক্রবার বেলা ২টা ৫০ মিনিটে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের সঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী বাহাসে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে দেখা দেয় হট্টগোল। প্রায় এক ঘণ্টা এ অবস্থা চলতে থাকে। এ সময় দুই পক্ষই তাঁদের দাবির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। তাঁরা দাবি করেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায় রয়েছে। ব্যাংকের ঋণখেলাপি হওয়ার পরও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে উচ্চ আদালত থেকে তিন মাসের একটি স্থগিতাদেশ এসেছেন তিনি। কিন্তু সেসব তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি।

এ সময় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আইনজীবী উপস্থাপন করেন, বিএনপি প্রার্থীর ব্যক্তিগত কোনো দায় নেই। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হওয়ায় সেই প্রতিষ্ঠানে দায় রয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনে অংশগ্রহণে যেন সমস্যা না হয়, সে জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন বিএনপি প্রার্থী। উচ্চ আদালত তিন মাসের জন্য সেটির স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়, তিনি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই হলফনামায় তথ্য দিয়েছেন।

এসময় দুই পক্ষের সমর্থকরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে উভয় পক্ষের নেতাদের পাশাপাশি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দুই পক্ষকে বারবার শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। প্রায় এক ঘণ্টা এমন পরিস্থিতির পর রিটার্নিং কর্মকর্তা বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেন। কোনো পক্ষ এই সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পরামর্শ দেন তিনি।

এর আগে, যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করেন।