ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পাকিস্তানি নারীর কথায় কেঁদে ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যটির প্রথম মুসলিম মেয়র মামদানি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিউইয়র্কবাসীর কথা শুনতে চেয়েছিলেন জোহরান মামদানি। তাই ‘দ্য মেয়র ইজ লিসেনিং’ নামের একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে এক পাকিস্তানি নারীর কথায় কেঁদে ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যটির প্রথম মুসলিম মেয়র। তা নিয়ে প্রশংসায়ও ভাসছেন।

লাহোর থেকে আসা সামিনা নামের ওই নারী বৈঠকে মেয়রের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উর্দু ও ইংরেজি—দুই ভাষায় সামিনা নিউইয়র্ক শহরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য মামদানির ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ওই নারী তার মানবিকতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করলে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন মামদানি।

ইউটিউবে প্রকাশ হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, স্টুডিওতে প্রবেশের পর সামিনা আগে থেকেই প্রস্তুত করা নোট পড়ে শোনান। ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর মামদানিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আপনার সহমর্মিতা নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য। মানুষে মানুষে বিভাজনের এই সময়ে মানুষের হৃদয়ে কোমলতা ফিরিয়ে আনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’

সামিনার কথা শুনে উর্দু ভাষায় মামদানি জবাব দেন। সামিনা যে লাহোরের বাসিন্দা—তা জানতে পেরে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মামদানি বলেন, ‘আমি একবার লাহোর গিয়েছিলাম—এটা খুবই সুন্দর শহর।’ এসময় তিনি কেঁদে ফেলেন। চোখ মুছে সামিনাকে বিদায় জানান।

ভিডিওতে দেখা যায় এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন মামদানি। নিজেকে ধাতস্ত করতে কিছু সময় বসে থাকেন। এসময় কয়েকবার চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে। বিরতির পর মেয়র মামদানি তার নির্ধারিত অন্যান্য নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ চালিয়ে যান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পাকিস্তানি নারীর কথায় কেঁদে ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যটির প্রথম মুসলিম মেয়র মামদানি

আপডেট সময় ১২:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিউইয়র্কবাসীর কথা শুনতে চেয়েছিলেন জোহরান মামদানি। তাই ‘দ্য মেয়র ইজ লিসেনিং’ নামের একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে এক পাকিস্তানি নারীর কথায় কেঁদে ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যটির প্রথম মুসলিম মেয়র। তা নিয়ে প্রশংসায়ও ভাসছেন।

লাহোর থেকে আসা সামিনা নামের ওই নারী বৈঠকে মেয়রের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উর্দু ও ইংরেজি—দুই ভাষায় সামিনা নিউইয়র্ক শহরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য মামদানির ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ওই নারী তার মানবিকতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করলে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন মামদানি।

ইউটিউবে প্রকাশ হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, স্টুডিওতে প্রবেশের পর সামিনা আগে থেকেই প্রস্তুত করা নোট পড়ে শোনান। ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর মামদানিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আপনার সহমর্মিতা নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য। মানুষে মানুষে বিভাজনের এই সময়ে মানুষের হৃদয়ে কোমলতা ফিরিয়ে আনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’

সামিনার কথা শুনে উর্দু ভাষায় মামদানি জবাব দেন। সামিনা যে লাহোরের বাসিন্দা—তা জানতে পেরে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মামদানি বলেন, ‘আমি একবার লাহোর গিয়েছিলাম—এটা খুবই সুন্দর শহর।’ এসময় তিনি কেঁদে ফেলেন। চোখ মুছে সামিনাকে বিদায় জানান।

ভিডিওতে দেখা যায় এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন মামদানি। নিজেকে ধাতস্ত করতে কিছু সময় বসে থাকেন। এসময় কয়েকবার চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে। বিরতির পর মেয়র মামদানি তার নির্ধারিত অন্যান্য নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ চালিয়ে যান।