ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নির্বাচন অফিসে বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের সঙ্গে হাসনাতের বাগ্‌বিতণ্ডা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

শুক্রবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ উত্থাপন করেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী তর্কবিতর্ক ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী যথাযথ আইনিপ্রক্রিয়ায় অভিযোগ উত্থাপনের নির্দেশ দেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে দুই প্রার্থী সাক্ষাৎ করেন।

এ ঘটনার পর আসন্ন নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রশাসনের আচরণ নিরপেক্ষতার মানদণ্ডে প্রশ্নবিদ্ধ এবং তারা কার্যত একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা অনেকাংশেই প্রশাসনের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের আচরণে সেই নিরপেক্ষতার ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর দাবি, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও অভিযোগগুলো আমলে নেওয়া হয়নি।

হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি প্রার্থী বিভিন্ন সময়ে একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলেও নিজেকে ব্যাংক ঋণখেলাপি হিসেবে উল্লেখ করেননি। পাশাপাশি হাইকোর্টের একটি স্থগিতাদেশের তথ্যও হলফনামায় গোপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব তথ্য গোপন করা নির্বাচনী বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এতে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এনসিপির এ নেতা বলেন, প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রমাণ ও আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলেও সেগুলো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এতে প্রশাসনের ভূমিকা কতটা নিরপেক্ষ ছিল—তা নিয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নির্বাচন অফিসে বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের সঙ্গে হাসনাতের বাগ্‌বিতণ্ডা

আপডেট সময় ১২:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

শুক্রবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ উত্থাপন করেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী তর্কবিতর্ক ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী যথাযথ আইনিপ্রক্রিয়ায় অভিযোগ উত্থাপনের নির্দেশ দেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে দুই প্রার্থী সাক্ষাৎ করেন।

এ ঘটনার পর আসন্ন নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রশাসনের আচরণ নিরপেক্ষতার মানদণ্ডে প্রশ্নবিদ্ধ এবং তারা কার্যত একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা অনেকাংশেই প্রশাসনের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের আচরণে সেই নিরপেক্ষতার ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর দাবি, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও অভিযোগগুলো আমলে নেওয়া হয়নি।

হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি প্রার্থী বিভিন্ন সময়ে একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলেও নিজেকে ব্যাংক ঋণখেলাপি হিসেবে উল্লেখ করেননি। পাশাপাশি হাইকোর্টের একটি স্থগিতাদেশের তথ্যও হলফনামায় গোপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব তথ্য গোপন করা নির্বাচনী বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এতে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এনসিপির এ নেতা বলেন, প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রমাণ ও আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলেও সেগুলো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এতে প্রশাসনের ভূমিকা কতটা নিরপেক্ষ ছিল—তা নিয়ে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।