ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় যে ৭টি শর্ত মানতে হবে প্রার্থীদের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে সাতটি বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এসব বিধি লঙ্ঘন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রার্থিতাও বাতিল হতে পারে।

‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য প্রণীত আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করিয়া নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবেন। তবে তাকে সাতটি নির্দেশনা মানতে হবে। এগুলো হচ্ছে—

১. প্রার্থী বা তাঁহার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি উক্তরূপে প্রচার-প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।

২. প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করতে পারবেন না।

৩. ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ভুল তথ্য, কাহারো চেহারা বিকৃত করা ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বানোয়াট তথ্যসহ কোনো প্রকার ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করতে পারবেন না।

৪. প্রতিপক্ষ, নারী, সংখ্যালঘু বা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করিয়া ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করতে পারবেন না।

৫. নির্বাচনী স্বার্থ হাসিল করিবার জন্য ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার করা হয় এইরূপ কোনো কর্মকাণ্ড করতে পারবেন না।

৬. সত্যতা যাচাই ব্যতিরেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন-সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট শেয়ার ও প্রকাশ করতে পারবেন না।

৭. রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, ভোটারদের বিভ্রান্ত করিবার জন্য কিংবা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কোনো প্রার্থী বা ব্যক্তির চরিত্র হনন কিংবা সুনাম নষ্ট করিবার উদ্দেশ্যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে, সাধারণভাবে বা সম্পাদন করিয়া কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা [Artificial Intelligence (AI)] দ্বারা কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, পক্ষপাতমূলক, বিদ্বেষপূর্ণ, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ এবং মানহানিকর কোনো কনটেন্ট তৈরি, প্রকাশ, প্রচার ও শেয়ার করতে পারবেন না।

বিধি লঙ্ঘনে শাস্তি:

কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে নির্বাচিত হইবার অযোগ্য হইতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কমিশন বিষয়টি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে পারবে।

তদন্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির পর কমিশন যদি সন্তুষ্ট হন যে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনী এজেন্ট বা তাহার নির্দেশে বা তাহার পক্ষে তাহার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিয়াছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করিয়াছেন তা হইলে নির্বাচিত হইবার পরও অযোগ্য হইতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক উক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।

এছাড়াও কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং এর জন্য তিনি অনধিক ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ডে অথবা অনধিক ১ (এক) লাখ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

এছাড়াও কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত নিয়ম লঙ্ঘন করলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং এর জন্য উক্ত রাজনৈতিক দল অনধিক ১ (এক) লাখ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় যে ৭টি শর্ত মানতে হবে প্রার্থীদের

আপডেট সময় ০১:৫৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে সাতটি বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এসব বিধি লঙ্ঘন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রার্থিতাও বাতিল হতে পারে।

‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য প্রণীত আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করিয়া নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবেন। তবে তাকে সাতটি নির্দেশনা মানতে হবে। এগুলো হচ্ছে—

১. প্রার্থী বা তাঁহার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি উক্তরূপে প্রচার-প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।

২. প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করতে পারবেন না।

৩. ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ভুল তথ্য, কাহারো চেহারা বিকৃত করা ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বানোয়াট তথ্যসহ কোনো প্রকার ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করতে পারবেন না।

৪. প্রতিপক্ষ, নারী, সংখ্যালঘু বা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করিয়া ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করতে পারবেন না।

৫. নির্বাচনী স্বার্থ হাসিল করিবার জন্য ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার করা হয় এইরূপ কোনো কর্মকাণ্ড করতে পারবেন না।

৬. সত্যতা যাচাই ব্যতিরেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন-সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট শেয়ার ও প্রকাশ করতে পারবেন না।

৭. রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, ভোটারদের বিভ্রান্ত করিবার জন্য কিংবা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কোনো প্রার্থী বা ব্যক্তির চরিত্র হনন কিংবা সুনাম নষ্ট করিবার উদ্দেশ্যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে, সাধারণভাবে বা সম্পাদন করিয়া কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা [Artificial Intelligence (AI)] দ্বারা কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, পক্ষপাতমূলক, বিদ্বেষপূর্ণ, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ এবং মানহানিকর কোনো কনটেন্ট তৈরি, প্রকাশ, প্রচার ও শেয়ার করতে পারবেন না।

বিধি লঙ্ঘনে শাস্তি:

কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে নির্বাচিত হইবার অযোগ্য হইতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কমিশন বিষয়টি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে পারবে।

তদন্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির পর কমিশন যদি সন্তুষ্ট হন যে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনী এজেন্ট বা তাহার নির্দেশে বা তাহার পক্ষে তাহার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিয়াছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করিয়াছেন তা হইলে নির্বাচিত হইবার পরও অযোগ্য হইতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক উক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।

এছাড়াও কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং এর জন্য তিনি অনধিক ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ডে অথবা অনধিক ১ (এক) লাখ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

এছাড়াও কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত নিয়ম লঙ্ঘন করলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং এর জন্য উক্ত রাজনৈতিক দল অনধিক ১ (এক) লাখ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।