ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘জয়শঙ্কর জানতেন তিনি কী করছেন’ পাকিস্তানে ফিরে স্পিকার সাদিক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ঢাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুতে শোক জানাতে এসে দেখা হয়েছিল ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের। দেশে ফিরে আকষ্মিক এই সাক্ষাৎ নিয়ে মুখ খুলেছেন সরদার আয়াজ সাদিক।

জিও নিউজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গত মে মাসের যুদ্ধের পর পাকিস্তানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের সূচনা করে ভারতীয় পক্ষই।

তিনি জানান, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একটি কক্ষে পাকিস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি দল এবং বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঠিক তখনই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধি দল সেখানে প্রবেশ করে।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার বলেন, কক্ষে ঢুকেই এস জয়শঙ্কর প্রথমে অন্য প্রতিনিধি দলকে অভিবাদন জানান। এরপর তার দিকে এগিয়ে এসে করমর্দন করেন।

সাদিক বলেন, আমি তখন পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তিনি এসে আমাকে অভিবাদন জানান এবং নিজের পরিচয় দেন। আমি যখন নিজের পরিচয় দিতে যাচ্ছিলাম, তিনি বললেন— ‘এক্সেলেন্সি, আমি আপনাকে চিনি, পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’

তিনি জানান, এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ক্যামেরাও ছিল, যা থেকে বোঝা যায়— এই সাক্ষাৎ রেকর্ড হবে এবং গণমাধ্যমে প্রচারিত হবে। এ নিয়ে তিনি পুরোপুরি সচেতন ছিলেন। সাদিক বলেন, ‘তিনি (এস জয়শঙ্কর) ঠিকই জানতেন তিনি কী করছেন এবং এটি মিডিয়ায় কভার হবে।’

ওই সময় কক্ষে উপস্থিত সবার দৃষ্টি দুজনের সাক্ষাতের দিকেই ছিল উল্লেখ করে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার মন্তব্য করেন, এস জয়শঙ্করকে একজন চতুর রাজনীতিক হিসেবে বর্ণনা করেন, যিনি মুহূর্তটির গুরুত্ব ও প্রতীকী দিক ভালোভাবেই বুঝেছিলেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, জানাজাস্থলে যাওয়ার পথে জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া ছিল উল্লেখযোগ্য। তার গাড়িতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল, যা দেখে পথে মানুষ হাত নেড়ে অভিবাদন জানায়। এ সময় তিনি পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান শুনেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘জয়শঙ্কর জানতেন তিনি কী করছেন’ পাকিস্তানে ফিরে স্পিকার সাদিক

আপডেট সময় ০৫:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ঢাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুতে শোক জানাতে এসে দেখা হয়েছিল ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের। দেশে ফিরে আকষ্মিক এই সাক্ষাৎ নিয়ে মুখ খুলেছেন সরদার আয়াজ সাদিক।

জিও নিউজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গত মে মাসের যুদ্ধের পর পাকিস্তানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের সূচনা করে ভারতীয় পক্ষই।

তিনি জানান, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একটি কক্ষে পাকিস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি দল এবং বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঠিক তখনই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধি দল সেখানে প্রবেশ করে।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার বলেন, কক্ষে ঢুকেই এস জয়শঙ্কর প্রথমে অন্য প্রতিনিধি দলকে অভিবাদন জানান। এরপর তার দিকে এগিয়ে এসে করমর্দন করেন।

সাদিক বলেন, আমি তখন পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তিনি এসে আমাকে অভিবাদন জানান এবং নিজের পরিচয় দেন। আমি যখন নিজের পরিচয় দিতে যাচ্ছিলাম, তিনি বললেন— ‘এক্সেলেন্সি, আমি আপনাকে চিনি, পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’

তিনি জানান, এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ক্যামেরাও ছিল, যা থেকে বোঝা যায়— এই সাক্ষাৎ রেকর্ড হবে এবং গণমাধ্যমে প্রচারিত হবে। এ নিয়ে তিনি পুরোপুরি সচেতন ছিলেন। সাদিক বলেন, ‘তিনি (এস জয়শঙ্কর) ঠিকই জানতেন তিনি কী করছেন এবং এটি মিডিয়ায় কভার হবে।’

ওই সময় কক্ষে উপস্থিত সবার দৃষ্টি দুজনের সাক্ষাতের দিকেই ছিল উল্লেখ করে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার মন্তব্য করেন, এস জয়শঙ্করকে একজন চতুর রাজনীতিক হিসেবে বর্ণনা করেন, যিনি মুহূর্তটির গুরুত্ব ও প্রতীকী দিক ভালোভাবেই বুঝেছিলেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, জানাজাস্থলে যাওয়ার পথে জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া ছিল উল্লেখযোগ্য। তার গাড়িতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল, যা দেখে পথে মানুষ হাত নেড়ে অভিবাদন জানায়। এ সময় তিনি পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান শুনেছেন বলেও উল্লেখ করেন।