ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে সরব আসামের মুখ্যমন্ত্রী, পেছনে যে কারণ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৩:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে সরব আসামের মুখ্যমন্ত্রী, পেছনে যে কারণ

বাংলাদেশ সীমান্তে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কড়াকড়ি বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মন্তব্য সমর্থন করে তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এনই বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দাবি সমর্থন করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘বাস্তবতার প্রতিফলন’ এবং পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া দরকার। শর্মা বলেন, ‘যেখানে আসাম ও ত্রিপুরা অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়ছে, সেখানে পশ্চিমবঙ্গ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য দরজা খুলে দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, আমরা তা সমর্থন করি।’

এর আগে কলকাতায় সংবাদ সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারকে কঠোরভাবে আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের সুবিধা নিতে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকে সুযোগ দেয়া হচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তার অভিযোগ, সীমান্তে বেড়া দেয়ার জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ফলে অনুপ্রবেশ ঠেকানোর প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অমিত শাহ প্রশ্ন তোলেন, ‘ত্রিপুরা, আসাম, রাজস্থান, পাঞ্জাব, কাশ্মির ও গুজরাটে অনুপ্রবেশ কমে গেল কেন? কারণ পশ্চিমবঙ্গে আপনার শাসনামলেই অনুপ্রবেশ হচ্ছে, জনসংখ্যার ধরণ বদলাতে এবং ভোট আরও পোক্ত করতে’।

অনুপ্রবেশকে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচন হবে অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং অনুপ্রবেশকারীদের অপসারণের ইস্যু ঘিরে। তার অভিযোগ, ভয়, দুর্নীতি ও কুশাসন— এই তিনটাই তৃণমূলশাসিত পশ্চিমবঙ্গের পরিচয় হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিজেপিকে ‘ভুল তথ্য ছড়ানোর’ অভিযোগে আক্রমণ করেন। মহাভারতের চরিত্রের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বিজেপি নেতাদের বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বলেন, সীমান্তে বেড়া দেয়ার জন্য জমি না দেয়ার অভিযোগও সঠিক নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে সরব আসামের মুখ্যমন্ত্রী, পেছনে যে কারণ

আপডেট সময় ১২:২৩:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ সীমান্তে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কড়াকড়ি বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মন্তব্য সমর্থন করে তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এনই বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দাবি সমর্থন করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘বাস্তবতার প্রতিফলন’ এবং পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া দরকার। শর্মা বলেন, ‘যেখানে আসাম ও ত্রিপুরা অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়ছে, সেখানে পশ্চিমবঙ্গ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য দরজা খুলে দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ–বাংলাদেশ সীমান্তে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, আমরা তা সমর্থন করি।’

এর আগে কলকাতায় সংবাদ সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারকে কঠোরভাবে আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের সুবিধা নিতে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকে সুযোগ দেয়া হচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তার অভিযোগ, সীমান্তে বেড়া দেয়ার জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ফলে অনুপ্রবেশ ঠেকানোর প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অমিত শাহ প্রশ্ন তোলেন, ‘ত্রিপুরা, আসাম, রাজস্থান, পাঞ্জাব, কাশ্মির ও গুজরাটে অনুপ্রবেশ কমে গেল কেন? কারণ পশ্চিমবঙ্গে আপনার শাসনামলেই অনুপ্রবেশ হচ্ছে, জনসংখ্যার ধরণ বদলাতে এবং ভোট আরও পোক্ত করতে’।

অনুপ্রবেশকে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচন হবে অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং অনুপ্রবেশকারীদের অপসারণের ইস্যু ঘিরে। তার অভিযোগ, ভয়, দুর্নীতি ও কুশাসন— এই তিনটাই তৃণমূলশাসিত পশ্চিমবঙ্গের পরিচয় হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিজেপিকে ‘ভুল তথ্য ছড়ানোর’ অভিযোগে আক্রমণ করেন। মহাভারতের চরিত্রের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বিজেপি নেতাদের বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বলেন, সীমান্তে বেড়া দেয়ার জন্য জমি না দেয়ার অভিযোগও সঠিক নয়।