ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মনোনয়ন জমা দিয়ে জারা বললেন, দেখি কিছু করতে পারি কি না

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভোটারের স্বাক্ষরসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাসনিম জারা। সোমবার বিকেলে রাজধানীর সবুজবাগ থানা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন তাসনিম জারা। পোস্টে তিনি বলেন, ‘৫ হাজার ভোটারের স্বাক্ষর নিয়ে আজ সোমবার আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই নির্বাচন করা আমার জন্য নয়, তোমাদের সবার জন্য।’

জারা লেখেন, ‘স্বাক্ষর করতে এই প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে ‍কেউ এসেছে। কেউ ভোরে, গভীর রাতে, কর্মদিবসে স্বাক্ষর করতে আসেন। কেউ বাবা-মা, ভাই-বোন, কাজিন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে এসেছে। কেউ নিজে স্বাক্ষর করেছে, অন্যদের স্বাক্ষর করতে বলেছে।’

এনসিপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, ‘কলেজের ছেলেমেয়েরা হঠাৎ স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে। শেষ এক ঘণ্টায় তারা ৫০টি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। মামা আমাদের গল্প শুনে আরও ১০টি সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দেখি কিছু করতে পারি কি না।’

কীভাবে এসব স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে জারা বলেন, ‘মা-মেয়ে একসঙ্গে ঘুরে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। তারা ফরম নিয়ে মহল্লা ঘুরে ঘুরে স্বাক্ষর করেছে। পুরনো বন্ধু, সহকর্মীরাও কাজে যোগ দেয়। আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব কিনা, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু কখনো হাল ছাড়বো না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণার পর দলের যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তাসনিম জারা। ঢাকা–৯ আসনে এনসিপি থেকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়া চিকিৎসক তাসনিম জারা পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দেন। এর জন্য তাঁর প্রয়োজন হয় নির্বাচনী আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশের স্বাক্ষর। সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের স্বাক্ষর। দুই দিনে এই স্বাক্ষর সংগ্রহ করে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন করোনাকালে অনলাইনে চিকিৎসাবিষয়ক নানা পরামর্শ দিয়ে পরিচিত হয়ে ওঠা তাসনিম জারা।

তিনি বলেন, এক দাদু সন্ধ্যায় আশীর্বাদ ও দোয়া করতে এসেছিলেন, ২০টি স্বাক্ষর সংগ্রহের জন্য প্রতিশ্রুতি দেন। পরদিন সকালে ফর্মগুলো স্বাক্ষর করে ফেরত দেন। আমাকে তিনি বলেন, ‘দেখো মা, আমি আমার কথা রেখেছি।’

তিনি আমার কানে ফিসফিস করে বলেন, ‘কখনো পিছু হটবে না। আমরা আছি। আমিও পারছি না।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মনোনয়ন জমা দিয়ে জারা বললেন, দেখি কিছু করতে পারি কি না

আপডেট সময় ১২:৫৭:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভোটারের স্বাক্ষরসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাসনিম জারা। সোমবার বিকেলে রাজধানীর সবুজবাগ থানা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন তাসনিম জারা। পোস্টে তিনি বলেন, ‘৫ হাজার ভোটারের স্বাক্ষর নিয়ে আজ সোমবার আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই নির্বাচন করা আমার জন্য নয়, তোমাদের সবার জন্য।’

জারা লেখেন, ‘স্বাক্ষর করতে এই প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে ‍কেউ এসেছে। কেউ ভোরে, গভীর রাতে, কর্মদিবসে স্বাক্ষর করতে আসেন। কেউ বাবা-মা, ভাই-বোন, কাজিন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে এসেছে। কেউ নিজে স্বাক্ষর করেছে, অন্যদের স্বাক্ষর করতে বলেছে।’

এনসিপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, ‘কলেজের ছেলেমেয়েরা হঠাৎ স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে। শেষ এক ঘণ্টায় তারা ৫০টি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। মামা আমাদের গল্প শুনে আরও ১০টি সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দেখি কিছু করতে পারি কি না।’

কীভাবে এসব স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে জারা বলেন, ‘মা-মেয়ে একসঙ্গে ঘুরে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। তারা ফরম নিয়ে মহল্লা ঘুরে ঘুরে স্বাক্ষর করেছে। পুরনো বন্ধু, সহকর্মীরাও কাজে যোগ দেয়। আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব কিনা, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু কখনো হাল ছাড়বো না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণার পর দলের যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তাসনিম জারা। ঢাকা–৯ আসনে এনসিপি থেকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়া চিকিৎসক তাসনিম জারা পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দেন। এর জন্য তাঁর প্রয়োজন হয় নির্বাচনী আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশের স্বাক্ষর। সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের স্বাক্ষর। দুই দিনে এই স্বাক্ষর সংগ্রহ করে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন করোনাকালে অনলাইনে চিকিৎসাবিষয়ক নানা পরামর্শ দিয়ে পরিচিত হয়ে ওঠা তাসনিম জারা।

তিনি বলেন, এক দাদু সন্ধ্যায় আশীর্বাদ ও দোয়া করতে এসেছিলেন, ২০টি স্বাক্ষর সংগ্রহের জন্য প্রতিশ্রুতি দেন। পরদিন সকালে ফর্মগুলো স্বাক্ষর করে ফেরত দেন। আমাকে তিনি বলেন, ‘দেখো মা, আমি আমার কথা রেখেছি।’

তিনি আমার কানে ফিসফিস করে বলেন, ‘কখনো পিছু হটবে না। আমরা আছি। আমিও পারছি না।’