ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জাতিসংঘকে ২ বিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশসহ পাবে ১৭ দেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের জন্য ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশসহ মোট ১৭টি দেশ এই সহায়তা পাবে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, ‘ছোট হও, খাও—নাহলে বিলুপ্ত হও।

মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে আরও ছোট করে নিতে চাইছে। একইসঙ্গে নতুন আর্থিক বাস্তবতায় সাহায্য দেওয়া সংস্থাগুলিকেও কঠোর বার্তা দিয়ে রেখেছে। মার্কিন প্রশাসন আগে যতটা সাহায্য করত সেই তুলনায় ২ বিলিয়ন ডলার অনেকটাই কম।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, এটি একটি উদার অনুদান, যা যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক দাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে রাখবে।

এপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অর্থ একটি আমব্রেলা ফান্ড (umbrella fund)–এর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। সেখান থেকে নির্দিষ্ট সংস্থা ও অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এটি জাতিসংঘজুড়ে ব্যাপক সংস্কারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দাবির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই পদ্ধতি মানবিক সহায়তাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে অনেক কর্মসূচি ও সেবায় বড় ধরনের কাটছাঁটও হয়েছে।

সংস্কার প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো এমন তহবিল গড়ে তোলা, যেগুলো নির্দিষ্ট কোনো সংকট বা সহায়তা–প্রয়োজনীয় দেশের দিকে সরাসরি পাঠানো যাবে। প্রাথমিকভাবে ১৭টি দেশকে রাখা হয়েছে এই তালিকায়। এরমধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও আছে কঙ্গো, হাইতি, সিরিয়া ও ইউক্রেন।

তবে বিশ্বের সবচেয়ে সংকটাপন্ন দেশগুলোর একটি আফগানিস্তান এই তালিকায় নেই। একইভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কর্মকর্তারা বলেছেন, ফিলিস্তিনের জন্য সহায়তা আসবে ট্রাম্পের এখনো অসম্পূর্ণ গাজা শান্তি পরিকল্পনা থেকে পাওয়া অর্থের মাধ্যমে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই ২ বিলিয়ন ডলার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিসংঘ-সমর্থিত কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত মানবিক সহায়তার খুবই সামান্য অংশ। একসময় এই সহায়তার পরিমাণ বছরে সর্বোচ্চ ১৭ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এর মধ্যে মাত্র ৮ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ছিল স্বেচ্ছা অনুদান। এ ছাড়া জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার চাঁদা দেয়।

সমালোচকদের মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেরও সহায়তা কমানোর ফলে লাখো মানুষ ক্ষুধা, বাস্তুচ্যুতি ও রোগের ঝুঁকিতে পড়ছে। এতে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জাতিসংঘকে ২ বিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশসহ পাবে ১৭ দেশ

আপডেট সময় ০৭:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের জন্য ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশসহ মোট ১৭টি দেশ এই সহায়তা পাবে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, ‘ছোট হও, খাও—নাহলে বিলুপ্ত হও।

মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে আরও ছোট করে নিতে চাইছে। একইসঙ্গে নতুন আর্থিক বাস্তবতায় সাহায্য দেওয়া সংস্থাগুলিকেও কঠোর বার্তা দিয়ে রেখেছে। মার্কিন প্রশাসন আগে যতটা সাহায্য করত সেই তুলনায় ২ বিলিয়ন ডলার অনেকটাই কম।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, এটি একটি উদার অনুদান, যা যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক দাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে রাখবে।

এপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অর্থ একটি আমব্রেলা ফান্ড (umbrella fund)–এর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। সেখান থেকে নির্দিষ্ট সংস্থা ও অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এটি জাতিসংঘজুড়ে ব্যাপক সংস্কারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দাবির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই পদ্ধতি মানবিক সহায়তাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে অনেক কর্মসূচি ও সেবায় বড় ধরনের কাটছাঁটও হয়েছে।

সংস্কার প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো এমন তহবিল গড়ে তোলা, যেগুলো নির্দিষ্ট কোনো সংকট বা সহায়তা–প্রয়োজনীয় দেশের দিকে সরাসরি পাঠানো যাবে। প্রাথমিকভাবে ১৭টি দেশকে রাখা হয়েছে এই তালিকায়। এরমধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও আছে কঙ্গো, হাইতি, সিরিয়া ও ইউক্রেন।

তবে বিশ্বের সবচেয়ে সংকটাপন্ন দেশগুলোর একটি আফগানিস্তান এই তালিকায় নেই। একইভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কর্মকর্তারা বলেছেন, ফিলিস্তিনের জন্য সহায়তা আসবে ট্রাম্পের এখনো অসম্পূর্ণ গাজা শান্তি পরিকল্পনা থেকে পাওয়া অর্থের মাধ্যমে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই ২ বিলিয়ন ডলার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিসংঘ-সমর্থিত কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত মানবিক সহায়তার খুবই সামান্য অংশ। একসময় এই সহায়তার পরিমাণ বছরে সর্বোচ্চ ১৭ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এর মধ্যে মাত্র ৮ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ছিল স্বেচ্ছা অনুদান। এ ছাড়া জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার চাঁদা দেয়।

সমালোচকদের মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেরও সহায়তা কমানোর ফলে লাখো মানুষ ক্ষুধা, বাস্তুচ্যুতি ও রোগের ঝুঁকিতে পড়ছে। এতে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।