ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জামায়াত জোটে এনসিপি: যে ভবিষদ্বাণী করলেন ফাহাম আব্দুস সালাম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দলের জোটের সঙ্গে যোগ দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার বিকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াত আমির। জামায়াতের সঙ্গে জোটে অংশ নেওয়ার আলোচনার প্রেক্ষাপটে গত দুদিনে এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের দুজন নেতা তাসনিম জারা ও তাসনূভা জাবীন পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া আরও ৩০ জন নেতা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোটে যাওয়া এবং ভোটের রাজনীতি নিয়ে রোববার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আব্দুস সালাম। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘জোট তৈরি হয় নির্বাচন পার করার জন্য। এই জোট কি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হবে? যেই মানুষটার এনসিপিতে ভোট দেওয়ার কথা- সে যদি ব্যালট পেপারে শাপলা না দেখে- আপনার কি মনে হয় সে জামায়াত বা জোটের অন্য একটা ইসলামি দলকে ভোট দেবে? আমার ধারণা এই লোকটা ভোট দেবে হয় বিএনপিকে (যদি প্রার্থী তরুণ হয়) অথবা স্বতন্ত্র কোনো তরুণ এন্টি-এস্ট্যাব্লিশমেন্ট ক্যান্ডিডেটকে। আইদার ওয়ে— যেই ২৪০ সিটে শাপলা থাকবে না- সেখানে শাপলা না থাকার মূল সুবিধাটা পাবে বিএনপি। হয় ভোট পেয়ে না হয় ভোট কেটে। যদিও এই সুবিধার মাত্রা হবে নগন্য। আমি মোটামুটি নিশ্চিত – যেই ৩০টার মতো সিটে জামায়াত এগিয়ে আছে তার একটাও জামায়াত এনসিপিকে দেবে না। জামায়াতের এটা একটা বড় সুবিধা। সে অনায়াসে ২২০ সিট তার মিত্রদের দিয়ে দিলে নির্বাচনের ফলাফল এক চুল পরিবর্তন হবে না।

কিন্তু যেই ৬০টা সিটে জামায়াত কন্টেস্ট করবে না- সেই সব সিটের জামায়াতের বান্ধা ভোটাররা কি শাপলায় ভোট দেবে? কিছু দেবে কিন্তু অধিকাংশই দেবে না বলে আমার অনুমান।

এটাই হলো জামায়াত-এনসিপি জোটের সমস্যা। এই জোটকে সফল হতে হলে উভয় দলের নেতা, কর্মী ও ভোটারদের এক্সট্রিম লেভেলের এন্টি-বিএনপি হতে হবে। তা না হলে কোনো পারপাসই সার্ভ করবে না। বিএনপি ও জামায়াত জোট এলেক্টরাল পলিটিক্সে সফল ছিল, কারণ উভয় দলের ভোটাররাই এক্সট্রিম লেভেলের এন্টি আওয়ামী লীগ ছিল। যেই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ নাই হয়ে গেছে- সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াত আলাদা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিএনপি ও জামায়াতের ভোটাররা একে অপরের প্রতি সেই লেভেলের শত্রুতা পোষণ করে না (রাজনৈতিক কর্মীরা করে)। এনসিপির ভোটারদের কথা জানি না।

তবে এনসিপি ন্যারেটিভ তৈরিতে বিশাল ক্ষমতা রাখে। সে কারণে এনসিপি ক্রমশই ছাত্র ইউনিয়ন কিংবা সিপিবির মতো বয়ান তৈরিতে প্রভাবশালী হয়ে উঠবে’।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জামায়াত জোটে এনসিপি: যে ভবিষদ্বাণী করলেন ফাহাম আব্দুস সালাম

আপডেট সময় ০৮:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দলের জোটের সঙ্গে যোগ দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার বিকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াত আমির। জামায়াতের সঙ্গে জোটে অংশ নেওয়ার আলোচনার প্রেক্ষাপটে গত দুদিনে এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের দুজন নেতা তাসনিম জারা ও তাসনূভা জাবীন পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া আরও ৩০ জন নেতা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোটে যাওয়া এবং ভোটের রাজনীতি নিয়ে রোববার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আব্দুস সালাম। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘জোট তৈরি হয় নির্বাচন পার করার জন্য। এই জোট কি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হবে? যেই মানুষটার এনসিপিতে ভোট দেওয়ার কথা- সে যদি ব্যালট পেপারে শাপলা না দেখে- আপনার কি মনে হয় সে জামায়াত বা জোটের অন্য একটা ইসলামি দলকে ভোট দেবে? আমার ধারণা এই লোকটা ভোট দেবে হয় বিএনপিকে (যদি প্রার্থী তরুণ হয়) অথবা স্বতন্ত্র কোনো তরুণ এন্টি-এস্ট্যাব্লিশমেন্ট ক্যান্ডিডেটকে। আইদার ওয়ে— যেই ২৪০ সিটে শাপলা থাকবে না- সেখানে শাপলা না থাকার মূল সুবিধাটা পাবে বিএনপি। হয় ভোট পেয়ে না হয় ভোট কেটে। যদিও এই সুবিধার মাত্রা হবে নগন্য। আমি মোটামুটি নিশ্চিত – যেই ৩০টার মতো সিটে জামায়াত এগিয়ে আছে তার একটাও জামায়াত এনসিপিকে দেবে না। জামায়াতের এটা একটা বড় সুবিধা। সে অনায়াসে ২২০ সিট তার মিত্রদের দিয়ে দিলে নির্বাচনের ফলাফল এক চুল পরিবর্তন হবে না।

কিন্তু যেই ৬০টা সিটে জামায়াত কন্টেস্ট করবে না- সেই সব সিটের জামায়াতের বান্ধা ভোটাররা কি শাপলায় ভোট দেবে? কিছু দেবে কিন্তু অধিকাংশই দেবে না বলে আমার অনুমান।

এটাই হলো জামায়াত-এনসিপি জোটের সমস্যা। এই জোটকে সফল হতে হলে উভয় দলের নেতা, কর্মী ও ভোটারদের এক্সট্রিম লেভেলের এন্টি-বিএনপি হতে হবে। তা না হলে কোনো পারপাসই সার্ভ করবে না। বিএনপি ও জামায়াত জোট এলেক্টরাল পলিটিক্সে সফল ছিল, কারণ উভয় দলের ভোটাররাই এক্সট্রিম লেভেলের এন্টি আওয়ামী লীগ ছিল। যেই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ নাই হয়ে গেছে- সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াত আলাদা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিএনপি ও জামায়াতের ভোটাররা একে অপরের প্রতি সেই লেভেলের শত্রুতা পোষণ করে না (রাজনৈতিক কর্মীরা করে)। এনসিপির ভোটারদের কথা জানি না।

তবে এনসিপি ন্যারেটিভ তৈরিতে বিশাল ক্ষমতা রাখে। সে কারণে এনসিপি ক্রমশই ছাত্র ইউনিয়ন কিংবা সিপিবির মতো বয়ান তৈরিতে প্রভাবশালী হয়ে উঠবে’।