ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ডিপিপির ভালো কথাগুলো কাগজেই থাকে, বাস্তবে থাকে না: পরিকল্পনা সচিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে এখনও কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুযায়ী সময়মত কাজ হয়না। মানসম্পন্ন কাজের ক্ষেত্রেও আপোষ দেখা যায়। ডিপিপির ভালো কথাগুলো কাগজেই থাকে, বাস্তবে থাকে না। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং ভালো কাজের পুরস্কার ও মন্দ কাজের শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ আশা করা যায় না।

ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (ডিজেএফবি) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে পরিকল্পনা কমিশনের নাজিয়া সালমা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় পরিকল্পনা সচিব সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এস এম রেজাউল মোস্তফা কামাল, ডিজএফবির সভাপতি হামিদুজ্জামান মামুন, সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা মুহিব প্রমুখ। ডিজেএফবির সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনা সচিব বলেন, প্রকল্প নেওয়ার সময় কাগজে লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে লিখে অনুমোদন নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবায়নের সময় সেগুলো সে মানা হয় না। বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ও দায়ী নির্দিষ্ট কয়েকজনকে যদি শাস্তির আওতায় আনা না যায়, তাহলে কোনো উদ্যোগই কাজে আসবে না।

তিনি বলেন, অন্যদিকে কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ২৫ থেকে ৩০ জনের পুরো দলকে দায়ী করা হয়, যা মোটেই ঠিক নয়।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক নির্মাণ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে প্রধান কাজ কাদের সেটা সবার জানা। অথচ বাস্তবায়ন দুর্বলতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়ী করা হয়। অথচ এত লোক অনিয়মে জড়িত থাকার কথা নয়।

একজন কর্মকর্তার মেধা প্রজ্ঞার দুর্বলতার কারণে কাজের গুণগত মান খারাপ হলে সেটা ক্ষমার যোগ্য উল্লেখ করে পরিকল্পনা সচিব বলেন, তবে ইচ্ছাকৃত কিংবা অসৎ উদ্দেশ্য থেকে দায়িত্ব ও কাজের দুর্বলতাকে কোনোভাবে প্রশয় দেওয়া উচিত নয়।

তিনি বলেন, সেবার গুনগত মান উন্নয়নে সরকারের কিছু উদ্যোগের সুফল দেখা যাচ্ছে। প্রকল্পভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা অর্জনে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ডিপিপির ভালো কথাগুলো কাগজেই থাকে, বাস্তবে থাকে না: পরিকল্পনা সচিব

আপডেট সময় ১১:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে এখনও কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুযায়ী সময়মত কাজ হয়না। মানসম্পন্ন কাজের ক্ষেত্রেও আপোষ দেখা যায়। ডিপিপির ভালো কথাগুলো কাগজেই থাকে, বাস্তবে থাকে না। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং ভালো কাজের পুরস্কার ও মন্দ কাজের শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ আশা করা যায় না।

ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (ডিজেএফবি) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে পরিকল্পনা কমিশনের নাজিয়া সালমা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় পরিকল্পনা সচিব সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এস এম রেজাউল মোস্তফা কামাল, ডিজএফবির সভাপতি হামিদুজ্জামান মামুন, সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা মুহিব প্রমুখ। ডিজেএফবির সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনা সচিব বলেন, প্রকল্প নেওয়ার সময় কাগজে লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে লিখে অনুমোদন নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবায়নের সময় সেগুলো সে মানা হয় না। বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ও দায়ী নির্দিষ্ট কয়েকজনকে যদি শাস্তির আওতায় আনা না যায়, তাহলে কোনো উদ্যোগই কাজে আসবে না।

তিনি বলেন, অন্যদিকে কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ২৫ থেকে ৩০ জনের পুরো দলকে দায়ী করা হয়, যা মোটেই ঠিক নয়।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক নির্মাণ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে প্রধান কাজ কাদের সেটা সবার জানা। অথচ বাস্তবায়ন দুর্বলতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়ী করা হয়। অথচ এত লোক অনিয়মে জড়িত থাকার কথা নয়।

একজন কর্মকর্তার মেধা প্রজ্ঞার দুর্বলতার কারণে কাজের গুণগত মান খারাপ হলে সেটা ক্ষমার যোগ্য উল্লেখ করে পরিকল্পনা সচিব বলেন, তবে ইচ্ছাকৃত কিংবা অসৎ উদ্দেশ্য থেকে দায়িত্ব ও কাজের দুর্বলতাকে কোনোভাবে প্রশয় দেওয়া উচিত নয়।

তিনি বলেন, সেবার গুনগত মান উন্নয়নে সরকারের কিছু উদ্যোগের সুফল দেখা যাচ্ছে। প্রকল্পভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা অর্জনে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।