ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
দায়িত্ব নেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার কোনো শর্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান/ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখে মুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদের কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এরকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময়মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক।

উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭-১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

আপডেট সময় ০৩:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
দায়িত্ব নেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার কোনো শর্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান/ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখে মুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদের কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এরকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময়মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক।

উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭-১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।