ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আ’লীগকে নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে : রাশেদ খান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৩১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে,দেশে-বিদেশে নানান ষড়যন্ত্র আভাস মিলছে। গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সাম্প্রতিক বৈঠকে নাকি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আসন্ন নির্বাচনে ‘সুযোগ করে দেওয়ার’ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন। রাশেদ খানের দাবি, রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় তুলেছে, যদিও সংশ্লিষ্ট কোনো রাষ্ট্রীয় পক্ষ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য কিংবা নিশ্চয়তা দেয়নি।

বাংলাদেশের জনগণের রায় নিয়ে নয়, বরং পর্দার আড়ালের বৈঠকের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনার চেষ্টা চলছে।

দিল্লি ও ঢাকার শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেখানে আ’লীগের জন্য রাজনৈতিক সুবিধা তৈরির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের ভেতরে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করা এবং বিরোধীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম সীমিত করার মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই আলোচনায় ভারতকে ব্যবহার করা হচ্ছে আঞ্চলিক নিরাপত্তার যুক্তিতে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বৈঠক হওয়া নতুন বিষয় নয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো প্রায়ই সীমান্ত, সন্ত্রাস দমন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক নীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা করে থাকে। তাই নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গে এই বৈঠকের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরের মতোই দাবি করে আসছেন, বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে, এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা শক্তির প্রভাব এতে থাকবে না।

এদিকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের অনেকেই রাশেদ খানের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণের দাবি করেছেন। তাদের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব বা অস্বচ্ছ উদ্যোগ গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আ’লীগকে নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে : রাশেদ খান

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে,দেশে-বিদেশে নানান ষড়যন্ত্র আভাস মিলছে। গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সাম্প্রতিক বৈঠকে নাকি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আসন্ন নির্বাচনে ‘সুযোগ করে দেওয়ার’ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন। রাশেদ খানের দাবি, রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় তুলেছে, যদিও সংশ্লিষ্ট কোনো রাষ্ট্রীয় পক্ষ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য কিংবা নিশ্চয়তা দেয়নি।

বাংলাদেশের জনগণের রায় নিয়ে নয়, বরং পর্দার আড়ালের বৈঠকের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনার চেষ্টা চলছে।

দিল্লি ও ঢাকার শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেখানে আ’লীগের জন্য রাজনৈতিক সুবিধা তৈরির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের ভেতরে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করা এবং বিরোধীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম সীমিত করার মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই আলোচনায় ভারতকে ব্যবহার করা হচ্ছে আঞ্চলিক নিরাপত্তার যুক্তিতে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বৈঠক হওয়া নতুন বিষয় নয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো প্রায়ই সীমান্ত, সন্ত্রাস দমন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক নীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা করে থাকে। তাই নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গে এই বৈঠকের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরের মতোই দাবি করে আসছেন, বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে, এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা শক্তির প্রভাব এতে থাকবে না।

এদিকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের অনেকেই রাশেদ খানের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণের দাবি করেছেন। তাদের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব বা অস্বচ্ছ উদ্যোগ গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।