ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

দেশে নির্বাচন হচ্ছে বলে মনে হয় না:রুমিন ফারহানা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:২৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যারা নির্বাচিত সরকার ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ চান না, তাদের জন্য ‘বড় বাধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগোতে দিতে চান না বা দেশটিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন, তাদের কাছে তারেক রহমানই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

রুমিন ফারহানা বলেন, তারেক রহমানকে শুধু বিএনপির প্রধান বা কাণ্ডারি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বাংলাদেশের প্রোগ্রেসিভ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ মধ্যপন্থার ধারাটি টিকে থাকবে কি না—তা অনেকাংশে নির্ভর করছে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন কি না তার ওপর। তাই তার দেশে ফেরা এখন আর শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক গতিপথ এবং জনগণের ভাগ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। তারেক রহমান যদি মনে করেন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে রুমিন প্রশ্ন করেন, সরকার কি সত্যিই গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায়? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আগে বলা হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা হবে, পরে আবার জানানো হয়েছে এটি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসে আদৌ নির্বাচন হবে কি না—এ প্রশ্ন এখন প্রায় সবার মুখেই।

তিনি বলেন, অতীতের মতো নির্বাচনের আগে যে উত্তাপে পরিবেশ প্রাণবন্ত হওয়ার কথা, বর্তমানে তার কোনো লক্ষণ নেই; বরং সর্বত্র থমথমে পরিস্থিতি। কিছু দিন আগেও এনসিপি জোট, জামায়াতের হুঁশিয়ারি, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা—এসব কারণে রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল বেশ উত্তপ্ত। এখন দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, অনেকেই স্পষ্টভাবে বলছেন ফেব্রুয়ারিতে কোনো নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। রুমিনের ব্যক্তিগত মতও—খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

দেশে নির্বাচন হচ্ছে বলে মনে হয় না:রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০৫:২৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যারা নির্বাচিত সরকার ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ চান না, তাদের জন্য ‘বড় বাধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগোতে দিতে চান না বা দেশটিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন, তাদের কাছে তারেক রহমানই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

রুমিন ফারহানা বলেন, তারেক রহমানকে শুধু বিএনপির প্রধান বা কাণ্ডারি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বাংলাদেশের প্রোগ্রেসিভ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ মধ্যপন্থার ধারাটি টিকে থাকবে কি না—তা অনেকাংশে নির্ভর করছে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন কি না তার ওপর। তাই তার দেশে ফেরা এখন আর শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক গতিপথ এবং জনগণের ভাগ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। তারেক রহমান যদি মনে করেন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে রুমিন প্রশ্ন করেন, সরকার কি সত্যিই গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায়? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আগে বলা হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা হবে, পরে আবার জানানো হয়েছে এটি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসে আদৌ নির্বাচন হবে কি না—এ প্রশ্ন এখন প্রায় সবার মুখেই।

তিনি বলেন, অতীতের মতো নির্বাচনের আগে যে উত্তাপে পরিবেশ প্রাণবন্ত হওয়ার কথা, বর্তমানে তার কোনো লক্ষণ নেই; বরং সর্বত্র থমথমে পরিস্থিতি। কিছু দিন আগেও এনসিপি জোট, জামায়াতের হুঁশিয়ারি, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা—এসব কারণে রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল বেশ উত্তপ্ত। এখন দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, অনেকেই স্পষ্টভাবে বলছেন ফেব্রুয়ারিতে কোনো নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। রুমিনের ব্যক্তিগত মতও—খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না।