ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

কৃষ্ণসাগরে তেলবাহী দুই ট্যাংকারে ইউক্রেনের হামলা, ছিলেন ৪ বাংলাদেশি নাবিক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় রাশিয়ার কথিত ‘ছায়া নৌবহরের’ জ্বালানি তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি যাচাই করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দ্রুতগতির ড্রোনগুলো ট্যাংকারের গায়ে আঘাত হানার পরপরই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে থাকে।

তুরস্কের উপকূলে গত শুক্রবার এ হামলা হয় ‘এমটি কায়রোস’ ও ‘বিরাট’ নামের গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকার দুটি লক্ষ্য করে। পরদিন শনিবার ‘বিরাট’ ট্যাংকারে আরেকটি হামলার খবর পাওয়া যায়। তবে কোথাও হতাহতের তথ্য মেলেনি।

তুরস্কের কোস্ট গার্ড ‘এমটি কায়রোস’ থেকে ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেছে, যাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবাই নিরাপদে আছেন এবং তাঁদের শারীরিক অবস্থা ভালো।

ইউক্রেনের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ‘সি বেবি’ নামের বিশেষ নৌ ড্রোন, যা তৈরি করেছে দেশটির নিরাপত্তা পরিষেবা (এসবিইউ)। রাশিয়ার জ্বালানি খাত থেকে যুদ্ধ-অর্থায়নের মূল উৎস দুর্বল করতে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এ ধরনের হামলা বাড়িয়েছে কিয়েভ।

২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া পুরোনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে ‘ছায়া নৌবহর’ গড়ে তোলে। এসব ট্যাংকারের নিবন্ধন ও বীমা সম্পর্কেও নানা ধোঁয়াশা রয়েছে।

হামলার ফলে কৃষ্ণসাগরের দক্ষিণ–পশ্চিম অঞ্চলে ‘কায়রোস’ এবং আরও পূর্ব দিকে ‘বিরাট’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, দুটিই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ট্যাংকার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

কৃষ্ণসাগরে তেলবাহী দুই ট্যাংকারে ইউক্রেনের হামলা, ছিলেন ৪ বাংলাদেশি নাবিক

আপডেট সময় ০১:১৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় রাশিয়ার কথিত ‘ছায়া নৌবহরের’ জ্বালানি তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি যাচাই করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দ্রুতগতির ড্রোনগুলো ট্যাংকারের গায়ে আঘাত হানার পরপরই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে থাকে।

তুরস্কের উপকূলে গত শুক্রবার এ হামলা হয় ‘এমটি কায়রোস’ ও ‘বিরাট’ নামের গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকার দুটি লক্ষ্য করে। পরদিন শনিবার ‘বিরাট’ ট্যাংকারে আরেকটি হামলার খবর পাওয়া যায়। তবে কোথাও হতাহতের তথ্য মেলেনি।

তুরস্কের কোস্ট গার্ড ‘এমটি কায়রোস’ থেকে ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেছে, যাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবাই নিরাপদে আছেন এবং তাঁদের শারীরিক অবস্থা ভালো।

ইউক্রেনের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ‘সি বেবি’ নামের বিশেষ নৌ ড্রোন, যা তৈরি করেছে দেশটির নিরাপত্তা পরিষেবা (এসবিইউ)। রাশিয়ার জ্বালানি খাত থেকে যুদ্ধ-অর্থায়নের মূল উৎস দুর্বল করতে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এ ধরনের হামলা বাড়িয়েছে কিয়েভ।

২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া পুরোনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে ‘ছায়া নৌবহর’ গড়ে তোলে। এসব ট্যাংকারের নিবন্ধন ও বীমা সম্পর্কেও নানা ধোঁয়াশা রয়েছে।

হামলার ফলে কৃষ্ণসাগরের দক্ষিণ–পশ্চিম অঞ্চলে ‘কায়রোস’ এবং আরও পূর্ব দিকে ‘বিরাট’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, দুটিই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ট্যাংকার।