ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

খালেদা জিয়া দেখতে হাসপাতালে গেলেন জাতীয় পার্টির নেতারা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে শনিবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছিলেন জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতারা। দলটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটওয়ারী বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করেন।

এর আগে শনিবার সকালে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি বিবৃতিতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে গত চার নির্বাচনে অংশ নিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসর তকমা পেয়েছে জাতীয় পার্টি। দলটি ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থনও জানায়। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতৃত্বের আপত্তির মুখে সরকার জাতীয় পার্টিকে বৈঠকে ডাকা বন্ধ করে। জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন দলটির কার্যালয়ে একাধিকবার হামলাও হয়েছে।

জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল জাতীয় পার্টির কার্যক্রমও নিষিদ্ধ চায়। রাতের ভোট খ্যাত নির্বাচনে বিএনপিকে পেছনে ফেলে প্রধান বিরোধী দল হলেও, জাতীয় পার্টি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কার্যক্রমের দায় তাদের নয়। আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। জাতীয় পার্টিকে টিকিয়ে রাখা বিএনপির দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, জি এম কাদেরের নির্দেশে খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন। শামীম হায়দার ছাড়াও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, আব্দুর রশিদ সরকার, আলমগীর শিকদার লোটন ছিলেন প্রতিনিধি দলে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন ছিলেন সেখানে।

আওয়ামী লীগ আমলের বিরোধীদলীয় নেতা জি এম কাদের এবং উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদের দ্বন্দ্বে গত আগস্টে ষষ্ঠবারের মত ভাঙে জাতীয় পার্টি। আনিসুল ইসলাম এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার শনিবার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘একসময় আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। খালেদা জিয়া ব্যক্তিগতভাবে আমাদের স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন। তাঁর অসুস্থতার খবরে আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত ও মর্মাহত।’

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে তিনি বলেছেন, রাজনীতি মানবিকতা, ঐক্য, উদারতা ও ভালোবাসার প্রতীক। খালেদা জিয়া আজীবন তা চর্চা করেছেন। আমাদের বিশ্বাস, অগণিত মানুষের প্রার্থনায় সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ সুস্থতা প্রদান করে দেশের মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগের সুযোগ দেবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

খালেদা জিয়া দেখতে হাসপাতালে গেলেন জাতীয় পার্টির নেতারা

আপডেট সময় ১২:৩২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে শনিবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছিলেন জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতারা। দলটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটওয়ারী বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করেন।

এর আগে শনিবার সকালে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি বিবৃতিতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে গত চার নির্বাচনে অংশ নিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসর তকমা পেয়েছে জাতীয় পার্টি। দলটি ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থনও জানায়। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতৃত্বের আপত্তির মুখে সরকার জাতীয় পার্টিকে বৈঠকে ডাকা বন্ধ করে। জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন দলটির কার্যালয়ে একাধিকবার হামলাও হয়েছে।

জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল জাতীয় পার্টির কার্যক্রমও নিষিদ্ধ চায়। রাতের ভোট খ্যাত নির্বাচনে বিএনপিকে পেছনে ফেলে প্রধান বিরোধী দল হলেও, জাতীয় পার্টি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কার্যক্রমের দায় তাদের নয়। আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। জাতীয় পার্টিকে টিকিয়ে রাখা বিএনপির দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, জি এম কাদেরের নির্দেশে খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন। শামীম হায়দার ছাড়াও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, আব্দুর রশিদ সরকার, আলমগীর শিকদার লোটন ছিলেন প্রতিনিধি দলে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন ছিলেন সেখানে।

আওয়ামী লীগ আমলের বিরোধীদলীয় নেতা জি এম কাদের এবং উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদের দ্বন্দ্বে গত আগস্টে ষষ্ঠবারের মত ভাঙে জাতীয় পার্টি। আনিসুল ইসলাম এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার শনিবার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘একসময় আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। খালেদা জিয়া ব্যক্তিগতভাবে আমাদের স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন। তাঁর অসুস্থতার খবরে আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত ও মর্মাহত।’

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে তিনি বলেছেন, রাজনীতি মানবিকতা, ঐক্য, উদারতা ও ভালোবাসার প্রতীক। খালেদা জিয়া আজীবন তা চর্চা করেছেন। আমাদের বিশ্বাস, অগণিত মানুষের প্রার্থনায় সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ সুস্থতা প্রদান করে দেশের মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগের সুযোগ দেবেন।