ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘সফল’ প্রকল্পে অভিবাসীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাস অর্থায়নে ‘সফল’ কর্মসূচির অধীনে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ইউএনসিডিএফ ও জাইনাক্স হেলথ লিমিটেড।

ইউনাইটেড নেশন্স ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ) এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘সফল – অভিবাসী পরিবারের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা’ কর্মসূচি বাংলাদেশে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি, আর্থিক সম্পদ গঠনকে উৎসাহিত করা এবং ইতিবাচক আর্থিক আচরণের মাধ্যমে রেমিট্যান্স-নির্ভর অভিবাসী অর তাদের পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা গড়ে তোলা।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাইনাক্স হেলথ লিমিটেডের সঙ্গে ইউএনসিডিএফ অংশীদারিত্বে ভিত্তিতে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য একটি জেন্ডার-স্মার্ট ও অভিবাসীকেন্দ্রিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও বিমা সেবা চালু করবে। এই সেবা তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং এর সাথে সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহনশীলতা বাড়াবে।

পাইলট প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় পরিচালিত হবে। এই প্রকল্পের মুল লক্ষ্য হলো – অভিবাসী শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের দারিদ্র্য ঝুঁকি কমানো, জেন্ডার-স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও আর্থিক সেবার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থিক সেবা সহজতর করতে উপযুক্ত নীতি ও দিকনির্দেশনা তৈরিতে সরকারকে সহায়তা প্রদান।

বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফের কান্ট্রি লিড সাদাত মঈনুদ্দিন বলেন, ‘অভিবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু তারা ও তাদের পরিবার প্রায়ই আর্থিক অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত থাকে। বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফ ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চলা এই কার্যক্রম অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে কাজ করবে।’

জাইনাক্স হেলথ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাইম আহমেদ বলেন, ‘আমরা আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অভিবাসী ও তাদের পরিবারের অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ও আর্থিক সমস্যা সমাধানে টেকসই প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চাই। যা তাদের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করবে।’

বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে এবং ইউএনসিডিএফ ও জায়নাক্স হেলথের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত এই প্রকল্প অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের জন্য অর্থায়নের সুযোগ তৈরি এবং আর্থিকভাবে ও সামাজিকভাবে টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘সফল’ প্রকল্পে অভিবাসীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি

আপডেট সময় ০৮:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাস অর্থায়নে ‘সফল’ কর্মসূচির অধীনে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে ইউএনসিডিএফ ও জাইনাক্স হেলথ লিমিটেড।

ইউনাইটেড নেশন্স ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ) এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘সফল – অভিবাসী পরিবারের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা’ কর্মসূচি বাংলাদেশে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি, আর্থিক সম্পদ গঠনকে উৎসাহিত করা এবং ইতিবাচক আর্থিক আচরণের মাধ্যমে রেমিট্যান্স-নির্ভর অভিবাসী অর তাদের পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা গড়ে তোলা।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাইনাক্স হেলথ লিমিটেডের সঙ্গে ইউএনসিডিএফ অংশীদারিত্বে ভিত্তিতে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য একটি জেন্ডার-স্মার্ট ও অভিবাসীকেন্দ্রিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও বিমা সেবা চালু করবে। এই সেবা তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং এর সাথে সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহনশীলতা বাড়াবে।

পাইলট প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় পরিচালিত হবে। এই প্রকল্পের মুল লক্ষ্য হলো – অভিবাসী শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের দারিদ্র্য ঝুঁকি কমানো, জেন্ডার-স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও আর্থিক সেবার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থিক সেবা সহজতর করতে উপযুক্ত নীতি ও দিকনির্দেশনা তৈরিতে সরকারকে সহায়তা প্রদান।

বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফের কান্ট্রি লিড সাদাত মঈনুদ্দিন বলেন, ‘অভিবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু তারা ও তাদের পরিবার প্রায়ই আর্থিক অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত থাকে। বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফ ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চলা এই কার্যক্রম অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে কাজ করবে।’

জাইনাক্স হেলথ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাইম আহমেদ বলেন, ‘আমরা আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অভিবাসী ও তাদের পরিবারের অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ও আর্থিক সমস্যা সমাধানে টেকসই প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চাই। যা তাদের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করবে।’

বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে এবং ইউএনসিডিএফ ও জায়নাক্স হেলথের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত এই প্রকল্প অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের জন্য অর্থায়নের সুযোগ তৈরি এবং আর্থিকভাবে ও সামাজিকভাবে টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।