নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সোনাকান্দা পানির ট্যাংকি এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি সারোয়ার হোসেন (২৫) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে সুস্থ পথে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকাল ৫টায় স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি থানায় এসে মাদক কারবার করবেন না বলে আত্মসমর্পণ করে মুচলেকা দেন।
আত্মসমর্পণকারী মাদক কারবারি সারোয়ার বন্দর থানার ২০নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা পানির ট্যাংকি এলাকার দেলোয়ার হোসেন দেলু মিয়ার ছেলে।
নারায়ণগঞ্জের মাদক কারবারিরা তৎপর শীর্ষক প্রতিবেদন যুগান্তরে প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন সারোয়ার হোসেনের নাম আসে।
এছাড়া বন্দর থানার ২০নং ওয়ার্ডের মাদক কারবারিদের কারণে চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। মাদক বিক্রি বেড়ে যাওয়ার কারণে সোনাকান্দা, দড়ি সোনাকান্দা, মাহামুদনগর, বেপারীপাড়াসহ এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে অহরহ ঘটছে চুরি ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধ সংগঠিত হয়ে আসছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় লোকজন মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে গণধোলাই দেওয়ার ঘোষণা দেন।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, মাদককারবারি সারোয়ার হোসেন থানায় আত্মসমর্পণ করে আর মাদক কারবার করবের না মুচলেকা দিয়েছেন। পরে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আত্মসমর্পণকারী মাদক কারবারি সারোয়ার বলেন, আমার কারণে আজ আমার পরিবার বিপর্যস্ত। আমি আমার পরিবার এবং আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অন্ধকার জগত থেকে আলোর জগতে ফিরে আসার জন্য থানায় এসে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছি। আপনারা আমাকে ক্ষমা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সুযোগ করে দেবেন।
মুচলেকা প্রদান করার সময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা বিএনপি সভাপতি ও নাসিক ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাহেন শাহ আহাম্মেদ, বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী, আত্মসমর্পণকারী মাদক কারবারির বাবা দেলোয়ার হোসেন দেলুসহ সোনাকান্দা পঞ্চায়েত কমিটির নেতারা।

নিজস্ব সংবাদ : 


























