ইরানে এরই মধ্যে শাসন ক্ষমতার পরিবর্তন হয়ে গেছে দাবি করে ট্রাম্প লেখেন, ‘নতুন শাসন ব্যবস্থায় আলাদা, আরো বুদ্ধিমান এবং কম উগ্র মানসিকতার লোকেরা প্রাধান্য পাবেন। হয়ত কোনো বিপ্লবাত্মক অসাধারণ কিছু ঘটতে পারে, কে জানে?’
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আজকের রাতটি বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মৃত্যুর অধ্যায় অবশেষে শেষ হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে ইরান ওয়াশিংটনকে অবাধ্যতা ও অসন্তোষের বার্তা দিতে চায়।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও নিশ্চিত করেছেন, বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক হামলা চালাবে।
বায়ার আরো বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) বলেছেন, এমন একটি হামলা হবে যা তারা (ইরান) আগে কখনো দেখেনি। এখন পর্যন্ত তিনি এই অবস্থানেই আছেন। তবে তিনি বলেছেন, আজ যদি আলোচনা এগিয়ে যায় এবং কোনো বাস্তব ফল আসে, তাহলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে। আমরা আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’
এর আগে ২১ মার্চ ট্রাম্প প্রথমবার ঘোষণা করেন, ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে ‘তাণ্ডব শুরু করবেন।’ তবে দুই দিনের মধ্যেই আবার জানান, দুই দেশের মধ্যে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হয়েছে। তাই হামলার পরিকল্পনা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করা হচ্ছে।
এরপর ২৭ মার্চ ‘ইরান সরকারের অনুরোধে’ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা আরো ১০ দিনের জন্য স্থগিত করার কথা জানান ট্রাম্প। সবশেষ শুক্রবার ট্রাম্প আবার সতর্ক করেন বলেন, ইরানের হাতে মাত্র ‘৪৮ ঘণ্টা’ সময় আছে এবং এর পরে তিনি ‘সবকিছু ধ্বংস করে দেবেন।’
রবিবার তিনি এক পোস্টে আরো কড়া হুমকি দিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের দিন, সেতু ধ্বংসের দিন’। পরে সময় নির্দিষ্ট করে বলেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম)!’ সে অনুযায়ী ইরানের সময় বুধবার ভোরে শেষ হচ্ছে চূড়ান্ত সময়সীমা।

নিজস্ব সংবাদ : 






















