ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সংরক্ষিত নারী আসন জামায়াত-এনসিপি জোটের আলোচনায় মমতাজ, আছে আরও তিন নাম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। কোন দল কাদের মনোনয়ন দেবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে, বিশেষ করে জামায়াত-এনসিপি জোটে কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন জোট। অন্য দিকে বিরোধী দলে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। সংসদে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে উভয় জোটই সংরক্ষিত নারী আসন পাবে।

বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মোট ৩৬টি সংরক্ষিত আসন পাবে। এই জোটে রয়েছে গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি। অন্য দিকে জামায়াত ও তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস পাবে মোট ১৩টি আসন।

জামায়াত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে দলীয় প্রস্তুতি শুরু হয়। দলের মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ১২ জনের একটি তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। তালিকায় শিক্ষক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দীকা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মারদিয়া মমতাজ এবং আইনজীবী সাবিকুন্নাহার মুন্নী।

নিয়ম অনুযায়ী, জামায়াত পাবে ১২টি এবং এনসিপি পাবে ১টি আসন। তবে এনসিপি আরও একটি আসন দাবি করেছে জামায়াতের কাছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এনসিপি সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে সংসদ নির্বাচনের আগেই জামায়াতের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। দলটি তাদের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা আলমকে সংসদে দেখতে আগ্রহী।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। বাতিল মনোনয়নের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ শুরু হবে ২৬ এপ্রিল, যার নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ।

এ দিকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যেও ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। দলটি ইতোমধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শেষ করেছে।

শুক্রবার মনোনয়ন ফরম বিক্রির উদ্বোধনকালে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, দেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আওয়ামী লীগের শাসনামলে যারা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, প্রার্থী নির্বাচনে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় সংসদে কার্যকরভাবে কথা বলার সক্ষমতা গুরুত্ব পাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

আমরা সবাই জুলাই প্রোডাক্ট— ডা. শফিকুর রহমান

সংরক্ষিত নারী আসন জামায়াত-এনসিপি জোটের আলোচনায় মমতাজ, আছে আরও তিন নাম

আপডেট সময় ১২:৪১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। কোন দল কাদের মনোনয়ন দেবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে, বিশেষ করে জামায়াত-এনসিপি জোটে কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন জোট। অন্য দিকে বিরোধী দলে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। সংসদে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে উভয় জোটই সংরক্ষিত নারী আসন পাবে।

বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মোট ৩৬টি সংরক্ষিত আসন পাবে। এই জোটে রয়েছে গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি। অন্য দিকে জামায়াত ও তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস পাবে মোট ১৩টি আসন।

জামায়াত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে দলীয় প্রস্তুতি শুরু হয়। দলের মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ১২ জনের একটি তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। তালিকায় শিক্ষক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দীকা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মারদিয়া মমতাজ এবং আইনজীবী সাবিকুন্নাহার মুন্নী।

নিয়ম অনুযায়ী, জামায়াত পাবে ১২টি এবং এনসিপি পাবে ১টি আসন। তবে এনসিপি আরও একটি আসন দাবি করেছে জামায়াতের কাছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এনসিপি সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে সংসদ নির্বাচনের আগেই জামায়াতের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। দলটি তাদের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা আলমকে সংসদে দেখতে আগ্রহী।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। বাতিল মনোনয়নের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ শুরু হবে ২৬ এপ্রিল, যার নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ।

এ দিকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যেও ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। দলটি ইতোমধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শেষ করেছে।

শুক্রবার মনোনয়ন ফরম বিক্রির উদ্বোধনকালে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, দেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আওয়ামী লীগের শাসনামলে যারা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, প্রার্থী নির্বাচনে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় সংসদে কার্যকরভাবে কথা বলার সক্ষমতা গুরুত্ব পাবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481