লেভিট বলেন, গত রাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে কথা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এই যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে সমর্থন করেছেন এবং তিনি এই আলোচনার একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে থাকবেন।
লেবানন ভবিষ্যতে এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে লেভিট বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বুধবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে হিজবুল্লাহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে না। আমরা হিজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত রাখব।’
লেবাননে আজকের ব্যাপক ও প্রাণঘাতী ইসরায়েলি হামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা হিজবুল্লাহর এমন সব অবস্থানে আঘাত হেনেছি, যেগুলোকে তারা নিরাপদ বলে মনে করত।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনে লেবাননে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৬৫ জন। যদিও যুদ্ধবিরতি মেনে ইসরায়েলে হামলা বন্ধ করেছিল লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
লেবাননে এই ব্যাপক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর সকালে মাত্র দুটি তেলবাহী ট্যাংকারকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরান বাকি সব ট্যাংকারের চলাচল স্থগিত করে দেয়।
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে এক জরুরি ফোনালাপে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তুলেছেন। তেহরান থেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা এই শান্তিচুক্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে এবং পাল্টা আঘাত হানবে।

নিজস্ব সংবাদ : 

























