ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান Logo সকালের মধ্যেই ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা Logo সরকারি ছুটির মধ্যেই সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক আজ Logo লেবাননে ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু Logo জেলে না গেলে বুঝতাম না কত বড় জুলুমের শাসন ড. ইউনূস করে দিয়েছে: আনিস আলমগীর Logo ২০ বছর আগে নিয়োগ বাতিল হওয়া ৩৩০ পুলিশ সদস্যকে চাকরি দিচ্ছে সরকার Logo এক বছরে রোহিঙ্গা শরণার্থী বাড়ল ১ লাখ ৭৯ হাজার Logo ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্রাগারে হামলার দাবি আইআরজিসির Logo ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে দায় প্রধানমন্ত্রীর’ Logo কেউ ভোট দিতে পারেননি, এমন অভিযোগ পাননি: সিইসি

ভর্তিতে লটারি নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, জবাবে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। রোববার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি লটারি পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা এবং নতুন জনবল নিয়োগ নিয়ে বক্তব্য দেন।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান লটারি পদ্ধতি মেধাকে অবমূল্যায়ন করছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর এই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, লটারি পদ্ধতি কতটা কার্যকর তা সরকার গুরুত্বের সাথে পুনর্বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে এটি বাতিল করার বিষয়টিও সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পুনরায় মেধা যাচাই বা ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ২০২৭ সালে। তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বাস্তবতা ভিন্ন। বড় শহরগুলোতে ভর্তির তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে বিগত সরকার লটারি পদ্ধতি চালু করলেও এর যৌক্তিকতা নিয়ে বর্তমান সরকার সন্দিহান।

ভর্তি পদ্ধতির বিষয়ে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে সেমিনার ও আলোচনার মাধ্যমে জনমত সংগ্রহ করা হবে। সবার মতামতের ভিত্তিতেই ২০২৭ সালের জানুয়ারির ভর্তি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।

শিক্ষাখাতে জনবল সংকট নিরসনে দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। যদিও নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে কিছুটা আইনি জটিলতা রয়েছে, তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে দ্রুতই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, ধর্মীয় শিক্ষা বলতে কেবল ইসলাম শিক্ষা নয়, বরং সব ধর্মের অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার কাজ করছে।

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সরকার এখন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেয়ে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে বেশি বদ্ধপরিকর। তবে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, দেশের শিক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে লটারি পদ্ধতি বাতিল করে মেধাকেন্দ্রিক ভর্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে, যা ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান

ভর্তিতে লটারি নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, জবাবে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। রোববার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি লটারি পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা এবং নতুন জনবল নিয়োগ নিয়ে বক্তব্য দেন।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান লটারি পদ্ধতি মেধাকে অবমূল্যায়ন করছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর এই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, লটারি পদ্ধতি কতটা কার্যকর তা সরকার গুরুত্বের সাথে পুনর্বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে এটি বাতিল করার বিষয়টিও সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পুনরায় মেধা যাচাই বা ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ২০২৭ সালে। তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বাস্তবতা ভিন্ন। বড় শহরগুলোতে ভর্তির তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে বিগত সরকার লটারি পদ্ধতি চালু করলেও এর যৌক্তিকতা নিয়ে বর্তমান সরকার সন্দিহান।

ভর্তি পদ্ধতির বিষয়ে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে সেমিনার ও আলোচনার মাধ্যমে জনমত সংগ্রহ করা হবে। সবার মতামতের ভিত্তিতেই ২০২৭ সালের জানুয়ারির ভর্তি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।

শিক্ষাখাতে জনবল সংকট নিরসনে দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। যদিও নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে কিছুটা আইনি জটিলতা রয়েছে, তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে দ্রুতই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, ধর্মীয় শিক্ষা বলতে কেবল ইসলাম শিক্ষা নয়, বরং সব ধর্মের অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার কাজ করছে।

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সরকার এখন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেয়ে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে বেশি বদ্ধপরিকর। তবে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, দেশের শিক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে লটারি পদ্ধতি বাতিল করে মেধাকেন্দ্রিক ভর্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে, যা ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর হতে পারে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481