‘ওরা আমাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর মব করে এক লাখ দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। সেখান থেকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে উদ্ধার হই। এটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। ৩০ হাজার টাকা দিয়ে গ্রুমিংয়ে ভর্তি হয়ে এভাবে বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। তারা কেউ ছাত্র না, সবাই চাঁদাবাজ।’ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে এভাবেই গণমাধ্যমে বলেছেন এডলফ খান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ এডলফ খানকে ঘিরে রেখেছে, কেউ আবার তার কাছে পাওনা টাকা ফেরত চাইছে।
এ ব্যাপারে এডলফ খান বলেন, ‘এই চাঁদাবাজির ঘটনায় আমি মামলা করছি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমি ন্যায়বিচার পাব বলে আশা রাখি।’
জানা যায়, মডেলিং শেখানোর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আটকে রেখেছেন ‘সুদর্শন পুরুষ’ এডলফ খানকে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ৯টার পর একদল শিক্ষার্থী কার্জন হলে তাকে আটকে রাখেন।
তবে রাতে পৌনে ১০টার দিকে তাকে ছেড়ে দেন তারা। এসময় তিনি তিন দিনের সময় চেয়েছেন। এরমধ্যে টাকাগুলো পরিশোধ করবেন বলে জানান এডলফ খান। পরবর্তীতে তার সেই ভিডিও ফাঁস হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে।

নিজস্ব সংবাদ : 






















