ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, চলমান যুদ্ধে ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা হারিয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সামর্থ্যও নেই।
ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর আগে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা হলেও তা কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি।
এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘২০ দিনের যুদ্ধের পর আজ ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সক্ষমতা নেই এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনেরও কোনো সুযোগ নেই।’ তবে তিনি তার এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতার “অনেকটাই এখনও টিকে আছে”।
গ্রোসি বলেন, ‘তাদের সেই সক্ষমতা, জ্ঞান এবং শিল্প অবকাঠামো এখনো রয়েছে।’
ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ সম্পর্কে নেতানিয়াহু কোনো মন্তব্য করেননি। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের হামলার পর এসব মজুদ ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনার নিচে সুরক্ষিত রয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘আমরা শুধু অবশিষ্ট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির যা কিছু বাকি আছে তা ধ্বংস করছি না, বরং এসব কর্মসূচি চালানোর শিল্প অবকাঠামোও ধ্বংস করছি।’

নিজস্ব সংবাদ : 






















