ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

৮ কুকুরছানা হত্যা: মায়ের সঙ্গে কারাগারে দুই বছরের শিশু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
৮টি কুকুরছানা হত্যার দায়ে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী নিশি রহমান (৩৮)। থানা থেকে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। নিশির সঙ্গে কারাগারে রয়েছে তাঁর দুই বছরের ছোট্ট শিশুও।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী থানা থেকে নিশি রহমানকে নেওয়া হয় পাবনার আদালতে। আদালত নিশির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে মায়ের সঙ্গে কারাগারে যায় শিশুটিও।

পাবনার জেল সুপার ওমর ফারুক বলেন, ‘যত দূর শুনেছি, বাচ্চাটি দুগ্ধপোষ্য শিশু। তাই বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গেই কারাগারে থাকবে।’

নিশি রহমানের স্বামী ঈশ্বরদী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়ন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইলে হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমার তিন সন্তান। দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় সন্তান মেয়ে। আর কারাগারে মায়ের সঙ্গে রয়েছে ছোট ছেলে। ওর বয়স দুই বছর।’

হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমার স্ত্রীর জন্য আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে জামিন আবেদন করেছিলাম, কিন্তু শুনানি হয়নি। বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের একটি কোনায় থাকত টম নামের একটি কুকুর। এক সপ্তাহ আগে টম ৮টি বাচ্চা প্রসব করে। গত সোমবার সকাল থেকে ছানাগুলো না পেয়ে পাগলপ্রায় অবস্থায় কান্না আর ছোটাছুটি করতে দেখা যায় মা কুকুরকে।

পরে উপজেলা পরিষদের কর্মচারীরা জানতে পারেন, ঈশ্বরদী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী জীবন্ত আটটি কুকুরছানাকে বস্তার মধ্যে বেঁধে রোববার রাতের কোনো এক সময় ফেলে দেন উপজেলা পরিষদের পুকুরে। পরদিন সোমবার সকালে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় মৃত কুকুরছানাগুলো।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে নিশি রহমানকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন। পরে রাতেই ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

আমরা সবাই জুলাই প্রোডাক্ট— ডা. শফিকুর রহমান

৮ কুকুরছানা হত্যা: মায়ের সঙ্গে কারাগারে দুই বছরের শিশু

আপডেট সময় ০৬:১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
৮টি কুকুরছানা হত্যার দায়ে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী নিশি রহমান (৩৮)। থানা থেকে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। নিশির সঙ্গে কারাগারে রয়েছে তাঁর দুই বছরের ছোট্ট শিশুও।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী থানা থেকে নিশি রহমানকে নেওয়া হয় পাবনার আদালতে। আদালত নিশির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে মায়ের সঙ্গে কারাগারে যায় শিশুটিও।

পাবনার জেল সুপার ওমর ফারুক বলেন, ‘যত দূর শুনেছি, বাচ্চাটি দুগ্ধপোষ্য শিশু। তাই বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গেই কারাগারে থাকবে।’

নিশি রহমানের স্বামী ঈশ্বরদী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়ন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইলে হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমার তিন সন্তান। দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় সন্তান মেয়ে। আর কারাগারে মায়ের সঙ্গে রয়েছে ছোট ছেলে। ওর বয়স দুই বছর।’

হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমার স্ত্রীর জন্য আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে জামিন আবেদন করেছিলাম, কিন্তু শুনানি হয়নি। বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের একটি কোনায় থাকত টম নামের একটি কুকুর। এক সপ্তাহ আগে টম ৮টি বাচ্চা প্রসব করে। গত সোমবার সকাল থেকে ছানাগুলো না পেয়ে পাগলপ্রায় অবস্থায় কান্না আর ছোটাছুটি করতে দেখা যায় মা কুকুরকে।

পরে উপজেলা পরিষদের কর্মচারীরা জানতে পারেন, ঈশ্বরদী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী জীবন্ত আটটি কুকুরছানাকে বস্তার মধ্যে বেঁধে রোববার রাতের কোনো এক সময় ফেলে দেন উপজেলা পরিষদের পুকুরে। পরদিন সোমবার সকালে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় মৃত কুকুরছানাগুলো।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে নিশি রহমানকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন। পরে রাতেই ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481