ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি Logo অপরিচিত নাম্বার থেকে মিঠুনকে হুমকি Logo ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে হোয়াইট হাউসে পৌঁছেছেন মাচাদো Logo খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী আজ Logo না ফেরার দেশে ‘মিস ক্যালকাটা’ খ্যাত অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির Logo পাসওয়ার্ড জটিলতা পোস্টাল ভোটারদের কল সেন্টারে যোগাযোগের আহ্বান ইসির Logo ১১ দলের নির্বাচনী ঐক্যের ‘ঐতিহাসিক যাত্রা’ Logo নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন, পেলেন সমন্বয়কের দায়িত্ব Logo গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা জবাবে সেনা পাঠাচ্ছে ইইউ Logo ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করবো না: জামায়াত আমির

১৮ কোটি মানুষকে খুশি করতে পেরেছি: হামজা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

শুধু কি সমর্থক আর খেলোয়াড়। সাংবাদিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে গেল এই জয়ের রোমাঞ্চ। ২২ বছরের অপেক্ষা বলে কথা। দুই ম্যাচেই জয়ের সাক্ষী হয়েছেন গুটিকয়েকজন। তাঁরা খানিকটা নস্টালজিক হলেন প্রেসবক্সে বসে। এর আগে বারবার শেষ মুহূর্তের ভারতের কাছে হারের বেদনা যে ছুঁয়েছে তাঁদের মনেও।

আজ শুধুই আনন্দে আহ্লাদ হওয়ার দিন। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতকে ১–০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে যখন কোচ হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে হামজা চৌধুরী এলেন করতালি দিয়ে সম্মান জানানো হলো তাঁদের। চুইঙ্গাম চিবোতে চিবোতে হামজাও জানালেন উচ্ছ্বাসের কথা। জাতীয় স্টেডিয়ামে জয়সূচক গোলটি শেখ মোরসালিনের হলেও নেপথ্যে বড় অবদান হামজারই। মাঠে তিনি ঠিক সেটাই করেছেন, যা তাঁর করা উচিত ছিল। বল নিয়ে যা করতে চেয়েছিলেন, সবকিছু করেছেন সুনিপুণভাবে। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এই মিডফিল্ডার।

এই জয় তাঁর চেয়ে বেশি আর কেইবা চেয়েছিল। ১৮ কোটি মানুষকে আনন্দ দিতে পেরে তাই তো তৃপ্তির ঢেকুর তুললেন তিনি। লেস্টার সিটির হয়ে এফএ কাপ জেতার অভিজ্ঞতা আছে হামজার। তবে ভারতকে হারানোর সুখটা এর চেয়েও বড়। তিনি বলেন, ‘ভিন্ন কারণে—হ্যাঁ (ক্যারিয়ারের সেরা)। এখানে আমরা ১৮ কোটি মানুষকে খুশি করেছি। পৃথিবীর আর কোথাও এটা সম্ভব নয়। তাই এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্যের মধ্যে থাকবে।’

জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকেই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত। দলীয় ব্যর্থতার কারণে সেসব ফিকে হয়ে যায়। হামজা জানালেন ধৈর্যই হলো সবকিছুর মূল। তা না থাকলে স্বপ্নই বা পূরণ হয় কীভাবে, ‘অবশ্যই, স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ইনশা আল্লাহ, খুব তাড়াতাড়ি আমরা বড় কোনো টুর্নামেন্টেও কোয়ালিফাই করব। আমরা এখন প্রমাণ করেছি আমরা সক্ষম। শুধু সময় আর ধৈর্য দরকার। আমাদের দলে অনেক কম অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে। দর্শক পূর্ণ স্টেডিয়ামে খেলা বিশাল চাপের।’

দুই দলের কেউই খুব একটা গোছানো ফুটবল খেলেনি। তবে মানসিকতা ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। হামজা তাই শোনালেন, ‘আমি আর শমিত শোম একটু দেরিতে যোগ দিয়েছি।আমরা এসে শুধু কিছুটা মান, কিছুটা মানসিকতা যোগ করার চেষ্টা করেছি। আজ (গতকাল) আমরা সেই মানসিকতাই দেখিয়েছি। শেষ চার ম্যাচে শেষ ধাপে হোঁচট খাচ্ছিলাম। এবার উল্টোটা হলো—হয়তো বল পায়ে ততটা ভালো ছিলাম না, কিন্তু দেখিয়েছি আমরা কতটা স্থিতিশীল হতে পারি।’

কাবরেরা মুখেও একই কথা, ‘বহু ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা করেছিলাম, কিন্তু অনেক সময়ই পরিকল্পনা উল্টো পথে যায়। আমরা ভেবেছিলাম বল দখলে আধিপত্য করব, কিন্তু পারিনি। তবে এটিই আজকের জয়ের বড় দিক, পরিস্থিতি আমাদের বিপক্ষে গেলেও আমরা মানিয়ে নিয়েছি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি

১৮ কোটি মানুষকে খুশি করতে পেরেছি: হামজা

আপডেট সময় ১২:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

শুধু কি সমর্থক আর খেলোয়াড়। সাংবাদিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে গেল এই জয়ের রোমাঞ্চ। ২২ বছরের অপেক্ষা বলে কথা। দুই ম্যাচেই জয়ের সাক্ষী হয়েছেন গুটিকয়েকজন। তাঁরা খানিকটা নস্টালজিক হলেন প্রেসবক্সে বসে। এর আগে বারবার শেষ মুহূর্তের ভারতের কাছে হারের বেদনা যে ছুঁয়েছে তাঁদের মনেও।

আজ শুধুই আনন্দে আহ্লাদ হওয়ার দিন। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতকে ১–০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে যখন কোচ হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে হামজা চৌধুরী এলেন করতালি দিয়ে সম্মান জানানো হলো তাঁদের। চুইঙ্গাম চিবোতে চিবোতে হামজাও জানালেন উচ্ছ্বাসের কথা। জাতীয় স্টেডিয়ামে জয়সূচক গোলটি শেখ মোরসালিনের হলেও নেপথ্যে বড় অবদান হামজারই। মাঠে তিনি ঠিক সেটাই করেছেন, যা তাঁর করা উচিত ছিল। বল নিয়ে যা করতে চেয়েছিলেন, সবকিছু করেছেন সুনিপুণভাবে। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এই মিডফিল্ডার।

এই জয় তাঁর চেয়ে বেশি আর কেইবা চেয়েছিল। ১৮ কোটি মানুষকে আনন্দ দিতে পেরে তাই তো তৃপ্তির ঢেকুর তুললেন তিনি। লেস্টার সিটির হয়ে এফএ কাপ জেতার অভিজ্ঞতা আছে হামজার। তবে ভারতকে হারানোর সুখটা এর চেয়েও বড়। তিনি বলেন, ‘ভিন্ন কারণে—হ্যাঁ (ক্যারিয়ারের সেরা)। এখানে আমরা ১৮ কোটি মানুষকে খুশি করেছি। পৃথিবীর আর কোথাও এটা সম্ভব নয়। তাই এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্যের মধ্যে থাকবে।’

জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকেই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত। দলীয় ব্যর্থতার কারণে সেসব ফিকে হয়ে যায়। হামজা জানালেন ধৈর্যই হলো সবকিছুর মূল। তা না থাকলে স্বপ্নই বা পূরণ হয় কীভাবে, ‘অবশ্যই, স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ইনশা আল্লাহ, খুব তাড়াতাড়ি আমরা বড় কোনো টুর্নামেন্টেও কোয়ালিফাই করব। আমরা এখন প্রমাণ করেছি আমরা সক্ষম। শুধু সময় আর ধৈর্য দরকার। আমাদের দলে অনেক কম অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে। দর্শক পূর্ণ স্টেডিয়ামে খেলা বিশাল চাপের।’

দুই দলের কেউই খুব একটা গোছানো ফুটবল খেলেনি। তবে মানসিকতা ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। হামজা তাই শোনালেন, ‘আমি আর শমিত শোম একটু দেরিতে যোগ দিয়েছি।আমরা এসে শুধু কিছুটা মান, কিছুটা মানসিকতা যোগ করার চেষ্টা করেছি। আজ (গতকাল) আমরা সেই মানসিকতাই দেখিয়েছি। শেষ চার ম্যাচে শেষ ধাপে হোঁচট খাচ্ছিলাম। এবার উল্টোটা হলো—হয়তো বল পায়ে ততটা ভালো ছিলাম না, কিন্তু দেখিয়েছি আমরা কতটা স্থিতিশীল হতে পারি।’

কাবরেরা মুখেও একই কথা, ‘বহু ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা করেছিলাম, কিন্তু অনেক সময়ই পরিকল্পনা উল্টো পথে যায়। আমরা ভেবেছিলাম বল দখলে আধিপত্য করব, কিন্তু পারিনি। তবে এটিই আজকের জয়ের বড় দিক, পরিস্থিতি আমাদের বিপক্ষে গেলেও আমরা মানিয়ে নিয়েছি।’


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481