ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুস্থ দাঁত পেতে কতটুকু মাজন প্রয়োজন? যা বলছেন চিকিৎসকরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

ঝকঝকে, সুস্থ দাঁত ও মাড়ি পেতে শুধু দিনে দু’বার ব্রাশ করলেই হবে না, বরং মাজনের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে বিজ্ঞাপনের প্রভাবেই ব্রিসলসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একদম ভরিয়ে মাজন ব্যবহার করেন।

ভাবেন, বেশি মাজন মানেই দাঁত ও মাড়ি ভালো থাকবে। কিন্তু দন্ত চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত মাজন কখনোই উপকারী নয়। বরং তা শিশুর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, মাজনের পরিমাণের সঙ্গে দাঁত-স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফ্লুয়োরাইডের মাত্রা। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, অধিকাংশ মাজনে ফ্লুয়োরাইড থাকে, যা দাঁতের ক্ষয় রোধে সহায়তা করে। কিন্তু এটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে শিশুরা ডেন্টাল ফ্লুরোসিস নামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

তাহলে কতটুকু মাজন ব্যবহার করবেন?

চিকিৎসকরা বলছেন, দাঁত মাজার সময়ে কে কতটুকু মাজন নেবেন, তা নির্ভর করবে ওই ব্যক্তির বয়সের ওপর। তারা জানান, ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দুটি চালের দানার মতো পরিমাণ মাজন ব্যবহার করলেই কাজ হবে। তাদের চেয়ে একটু বড় অর্থাৎ, ৭-৮ বছর বয়সীদের জন্য সেই পরিমাণ বেড়ে মোটরদানার মতো হতে পারে। কিন্তু তার বেশি নয়। আর বড়রা প্রয়োজনমতো মাঝারি পরিমাণেই ব্রাশ করা উচিত।

খেয়াল রাখবেন

শিশুরা যেন ব্রাশ করার সময় মাজন গিলে ফেলতে না পারে, সেই দিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সুস্থ দাঁত পেতে কতটুকু মাজন প্রয়োজন? যা বলছেন চিকিৎসকরা

আপডেট সময় ০১:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

ঝকঝকে, সুস্থ দাঁত ও মাড়ি পেতে শুধু দিনে দু’বার ব্রাশ করলেই হবে না, বরং মাজনের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে বিজ্ঞাপনের প্রভাবেই ব্রিসলসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একদম ভরিয়ে মাজন ব্যবহার করেন।

ভাবেন, বেশি মাজন মানেই দাঁত ও মাড়ি ভালো থাকবে। কিন্তু দন্ত চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত মাজন কখনোই উপকারী নয়। বরং তা শিশুর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, মাজনের পরিমাণের সঙ্গে দাঁত-স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফ্লুয়োরাইডের মাত্রা। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, অধিকাংশ মাজনে ফ্লুয়োরাইড থাকে, যা দাঁতের ক্ষয় রোধে সহায়তা করে। কিন্তু এটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে শিশুরা ডেন্টাল ফ্লুরোসিস নামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

তাহলে কতটুকু মাজন ব্যবহার করবেন?

চিকিৎসকরা বলছেন, দাঁত মাজার সময়ে কে কতটুকু মাজন নেবেন, তা নির্ভর করবে ওই ব্যক্তির বয়সের ওপর। তারা জানান, ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দুটি চালের দানার মতো পরিমাণ মাজন ব্যবহার করলেই কাজ হবে। তাদের চেয়ে একটু বড় অর্থাৎ, ৭-৮ বছর বয়সীদের জন্য সেই পরিমাণ বেড়ে মোটরদানার মতো হতে পারে। কিন্তু তার বেশি নয়। আর বড়রা প্রয়োজনমতো মাঝারি পরিমাণেই ব্রাশ করা উচিত।

খেয়াল রাখবেন

শিশুরা যেন ব্রাশ করার সময় মাজন গিলে ফেলতে না পারে, সেই দিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481