ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতকালে কত দিন পর পর শ্যাম্পু করা উচিত? জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

শীতকাল এলেই চুলে নানা সমস্যা দেখা দেয়– খুশকি, চুল পড়া, রুক্ষ ভাব আর চুল ভাঙা যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে এই সময়ে। এর বড় কারণ হলো ঠান্ডা আবহাওয়ায় স্ক্যাল্পের তেল কমে যাওয়া এবং বাতাসের আর্দ্রতা হ্রাস পাওয়া। এতে চুল দ্রুত শুকিয়ে যায় ও প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা হারায়। ফলে প্রশ্ন জাগে, শীতে কতদিন পরপর শ্যাম্পু করা উচিত, যাতে চুল পরিষ্কারও থাকে আবার ক্ষতিও না হয়?

ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে চুলের প্রাকৃতিক তেল সহজেই কমে যায়। তাই এই সময়ে ঘন ঘন শ্যাম্পু করা ঠিক নয়। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে মাথার ত্বক আরও বেশি শুকিয়ে যায়, খুশকি ও চুল ভাঙার সমস্যা বাড়ে। তাই গরমকালের মতো সপ্তাহে তিনবার নয়, বরং শীতকালে ৩-৪ দিনে একবার বা সপ্তাহে দুইবার শ্যাম্পু করাই আদর্শ।

তারা বলছেন, যাদের স্ক্যাল্প খুব শুকনো, তারা সপ্তাহে একবার শ্যাম্পু করতে পারেন। আবার যাদের স্ক্যাল্প অয়েলি, তাদের ক্ষেত্রে ২-৩ দিন পরপর শ্যাম্পু করা উপকারী। তবে শীতকালে শুধু শ্যাম্পু করলেই হবে না, সঙ্গে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে প্রতিবার। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত একদিন হেয়ার মাস্ক এবং শ্যাম্পুর আগের দিন হালকা গরম তেল মালিশ করলে চুলের রুক্ষতা ও খুশকি অনেকটাই কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দেন, শীতকালে শ্যাম্পু বাছাইয়েও সতর্ক থাকতে হবে। এই সময়ে হার্শ সালফেট, প্যারাবেন বা অ্যালকোহলযুক্ত শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো চুল আরও বেশি শুকিয়ে দেয়। এর পরিবর্তে মাইল্ড ও ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। আর গরম পানিতে নয়, হালকা গরম বা স্বাভাবিক পানিতে চুল ধোয়া উচিত, কারণ গরম পানি স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক তেল দ্রুত নষ্ট করে ফেলে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতে চুলের যত্নে মূল মন্ত্র হলো কম শ্যাম্পু, বেশি ময়েশ্চার। তাই ৩-৪ দিনে একবার শ্যাম্পু করুন, নিয়মিত কন্ডিশনার, তেল ও হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন– দেখবেন শীতেও চুল থাকবে ঝলমলে, মোলায়েম ও প্রাণবন্ত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করলেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হবে খালেদা জিয়াকে’

শীতকালে কত দিন পর পর শ্যাম্পু করা উচিত? জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

আপডেট সময় ০৩:৩৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

শীতকাল এলেই চুলে নানা সমস্যা দেখা দেয়– খুশকি, চুল পড়া, রুক্ষ ভাব আর চুল ভাঙা যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে এই সময়ে। এর বড় কারণ হলো ঠান্ডা আবহাওয়ায় স্ক্যাল্পের তেল কমে যাওয়া এবং বাতাসের আর্দ্রতা হ্রাস পাওয়া। এতে চুল দ্রুত শুকিয়ে যায় ও প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা হারায়। ফলে প্রশ্ন জাগে, শীতে কতদিন পরপর শ্যাম্পু করা উচিত, যাতে চুল পরিষ্কারও থাকে আবার ক্ষতিও না হয়?

ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে চুলের প্রাকৃতিক তেল সহজেই কমে যায়। তাই এই সময়ে ঘন ঘন শ্যাম্পু করা ঠিক নয়। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে মাথার ত্বক আরও বেশি শুকিয়ে যায়, খুশকি ও চুল ভাঙার সমস্যা বাড়ে। তাই গরমকালের মতো সপ্তাহে তিনবার নয়, বরং শীতকালে ৩-৪ দিনে একবার বা সপ্তাহে দুইবার শ্যাম্পু করাই আদর্শ।

তারা বলছেন, যাদের স্ক্যাল্প খুব শুকনো, তারা সপ্তাহে একবার শ্যাম্পু করতে পারেন। আবার যাদের স্ক্যাল্প অয়েলি, তাদের ক্ষেত্রে ২-৩ দিন পরপর শ্যাম্পু করা উপকারী। তবে শীতকালে শুধু শ্যাম্পু করলেই হবে না, সঙ্গে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে প্রতিবার। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত একদিন হেয়ার মাস্ক এবং শ্যাম্পুর আগের দিন হালকা গরম তেল মালিশ করলে চুলের রুক্ষতা ও খুশকি অনেকটাই কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দেন, শীতকালে শ্যাম্পু বাছাইয়েও সতর্ক থাকতে হবে। এই সময়ে হার্শ সালফেট, প্যারাবেন বা অ্যালকোহলযুক্ত শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো চুল আরও বেশি শুকিয়ে দেয়। এর পরিবর্তে মাইল্ড ও ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। আর গরম পানিতে নয়, হালকা গরম বা স্বাভাবিক পানিতে চুল ধোয়া উচিত, কারণ গরম পানি স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক তেল দ্রুত নষ্ট করে ফেলে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতে চুলের যত্নে মূল মন্ত্র হলো কম শ্যাম্পু, বেশি ময়েশ্চার। তাই ৩-৪ দিনে একবার শ্যাম্পু করুন, নিয়মিত কন্ডিশনার, তেল ও হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন– দেখবেন শীতেও চুল থাকবে ঝলমলে, মোলায়েম ও প্রাণবন্ত।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481