ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত Logo ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে ‘হামলার’ প্রতিবাদে কেএমপি দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ Logo জামায়াত কি ইসলামের ঠিকাদারি নিয়েছে : প্রশ্ন সালাহউদ্দিনের Logo হাসিনার বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করেছেন আল্লামা মামুনুল হক : হাসনাত আব্দুল্লাহ Logo নতুন ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ইনকিলাব মঞ্চ Logo ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার: মাহদী আমিন Logo চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে: ফরহাদ মজহার Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জামায়াতের Logo উন্মুক্ত মঞ্চে তারেক রহমানকে সরাসরি আলোচনার আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের Logo মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ: মির্জা আব্বাস

যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ দিয়েছিলেন পারভেজ মোশাররফ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিতর্কিত সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রাগারের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জন কিরিয়াকু। তার দাবি, এর বিনিময়ে লাখ লাখ ডলার দিয়েছিল ওয়াশিংনটন।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জন কিরিয়াকু জানান, চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকে যখন পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন জেনারেল পারভেজ মোশাররফ, তখন পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতো যুক্তরাষ্ট্র। বিপুল অর্থের বিনিময়ে ওয়াশিংটনকে এই ক্ষমতা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল মুশাররফ। এরপর প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ২০২৩ সালে দুবাইয়ে মারা যান তিনি।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নানা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইতিহাস বেশ পুরনো। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যমগুলো বলছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোশাররফের শাসনামলে দেশটির ভেতরে-বাইরে মার্কিন প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি।

এবার এই ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জন কিরিয়াকু। তিনি জানিয়েছেন, ২০০১ সালের পর পাকিস্তানে মার্কিন প্রভাব এতটাই বেড়ে যায় যে, তা ছিল অনেকটাই অর্থের বিনিময়ে পারভেজ মোশাররফকে কিনে নেয়ার মতো।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম তখন বিপুল ডলার সহায়তা দেয়া হয়েছিল। তবে এই অর্থ কোনখাতে ব্যয় হতো কেউ জানতো না। পারভেজ মোশাররফকে কার্যত যুক্তরাষ্ট্র কিনে নিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মোশাররফের সাথে নিয়মিত দেখা করতাম। প্রচুর অর্থ দেয়া হতো তাকে। তার ভয় ছিলো এসব অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ জঙ্গিদের কাছে চলে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রেকে দিয়ে রাখেন তিনি।’

কর্মজীবনে সিআইএর সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান বিষয়ক প্রধান ছিলেন কিরিয়াকু। নারী সেজে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে পালিয়ে যান আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন- সাক্ষাৎকারে এমন দাবিও করেছেন তিনি।

কিরিয়াকু বলেন, মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের এক কমান্ডারের অনুবাদক ছিলেন একজন আল-কায়দা গুপ্তচর। মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজের আড়ালে গোপনে জঙ্গি গোষ্ঠীটিকে তথ্য পাচার করতো সে। এই অনুবাদকের সাহায়তা নিয়েই বোরকা পরে আফগানিস্তানের তোরাবোরা পাহাড় থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে যান লাদেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত

যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ দিয়েছিলেন পারভেজ মোশাররফ

আপডেট সময় ১২:৩৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিতর্কিত সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রাগারের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জন কিরিয়াকু। তার দাবি, এর বিনিময়ে লাখ লাখ ডলার দিয়েছিল ওয়াশিংনটন।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জন কিরিয়াকু জানান, চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকে যখন পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন জেনারেল পারভেজ মোশাররফ, তখন পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতো যুক্তরাষ্ট্র। বিপুল অর্থের বিনিময়ে ওয়াশিংটনকে এই ক্ষমতা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল মুশাররফ। এরপর প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ২০২৩ সালে দুবাইয়ে মারা যান তিনি।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নানা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইতিহাস বেশ পুরনো। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যমগুলো বলছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোশাররফের শাসনামলে দেশটির ভেতরে-বাইরে মার্কিন প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি।

এবার এই ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জন কিরিয়াকু। তিনি জানিয়েছেন, ২০০১ সালের পর পাকিস্তানে মার্কিন প্রভাব এতটাই বেড়ে যায় যে, তা ছিল অনেকটাই অর্থের বিনিময়ে পারভেজ মোশাররফকে কিনে নেয়ার মতো।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম তখন বিপুল ডলার সহায়তা দেয়া হয়েছিল। তবে এই অর্থ কোনখাতে ব্যয় হতো কেউ জানতো না। পারভেজ মোশাররফকে কার্যত যুক্তরাষ্ট্র কিনে নিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মোশাররফের সাথে নিয়মিত দেখা করতাম। প্রচুর অর্থ দেয়া হতো তাকে। তার ভয় ছিলো এসব অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ জঙ্গিদের কাছে চলে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রেকে দিয়ে রাখেন তিনি।’

কর্মজীবনে সিআইএর সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান বিষয়ক প্রধান ছিলেন কিরিয়াকু। নারী সেজে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে পালিয়ে যান আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন- সাক্ষাৎকারে এমন দাবিও করেছেন তিনি।

কিরিয়াকু বলেন, মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের এক কমান্ডারের অনুবাদক ছিলেন একজন আল-কায়দা গুপ্তচর। মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজের আড়ালে গোপনে জঙ্গি গোষ্ঠীটিকে তথ্য পাচার করতো সে। এই অনুবাদকের সাহায়তা নিয়েই বোরকা পরে আফগানিস্তানের তোরাবোরা পাহাড় থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে যান লাদেন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481