ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বোনদের বঞ্চিত করার অভিযোগ অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে Logo ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষককে মামলার কারণে পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না: গণশিক্ষা উপদেষ্টা Logo বিজয় দিবস উদযাপনে ভারতে যাবেন ৮ মুক্তিযোদ্ধা Logo ট্রাম্পের চাপকে পাত্তা দিতে ইচ্ছুক নন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট Logo বিএনপি মানুষের ভোট চায়, ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করতে চায় না: সালাহউদ্দিন আহমদ Logo জামায়াত প্রার্থীকে ‘দাঁড়িপাল্লা, দাঁড়িপাল্লা’স্লোগানে ঢাকের তালে, উলুর ধ্বনিতে ফুল ছিটিয়ে বরণ Logo ১৬ ডিসেম্বর থেকে অনিবন্ধিত মুঠোফোন বন্ধে কঠোর সরকার Logo নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে অব্যাহতি পেলেন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান Logo রাজনীতি হোক যুক্তির, গায়ের জোরের নয়: তাসনিম জারা Logo ইসরায়েলের ধ্বংস করা গাজা পুনর্গঠনে অর্থ ব্যয় করবে না কাতার

যশোরে আখের বাম্পার ফলন; দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

যশোরে এবারে আখের ভাল ফলন হয়েছে। আগাম আখ কেটে বিক্রি করছেন চাষিরা, দাম ভালো পাওয়ায় খুশি তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় আখের ফলন ভালো হয়েছে।

উঁচু বা মাঝারি উঁচু ও দোআঁশ জমিতে আখের চাষ ভালো হয়। আর যশোরের মাটিতে এসব বৈশিষ্ট্য থাকায় আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দাতপুর গ্রামের কৃষক রতন দেবনাথ। এবছর ১৩ শতক জমিতে আখ চাষ করেছেন তিনি। যেখানে খরচ হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর সেই আখ বিক্রি করেছেন ২ লাখ টাকায়। শুধু রতন নয় আখ চাষে লাভবান হচ্ছেন জেলার অন্যান্য কৃষকরাও ।

বাঘারপাড়ার আখ চাষি রতন দেবনাথ বলেন, ‘আখ চাষ করলে আমাদের টোটাল যে খরচ হয়, সে টাকা উঠে আসে। ফলে অনেকেই আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।’

যশোরের খালধারমোড়ের আখের হাট। যেখানে অন্তত বিক্রি হয় ১৫ হাজার পিচ আখ। যার বাজারমূল্যে প্রায় ৬ লাখ টাকা। বর্তমানে এ হাটে একশো আখ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যা সরবরাহ হচ্ছে আশপাশের জেলায়।

আখ চাষিরা জানান, এ বছর আখের চাহিদা ভালো। তারা আখের দাম পাচ্ছেন ভালো। এ বছর প্রতি পিছ আখ সর্বনিম্ন ২০ টাকায় বিক্রি করছেন চাষিরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, আখ চাষকে আরও লাভজনক করে তুলতে কৃষকদের সাথী ফসল চাষসহ সবধরনের সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সমরেন বিশ্বাশ বলেন, ‘আখ যেহেতু দীর্ঘমেয়াদী ফসল, ফলে আখের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফসল তারা উৎপাদন করতে পারে। এ বিষয়ে চাষিদের আমরা উৎসাহিত করছি।’

যশোরে এবছর প্রায় ২২০ হেক্টর জমিতে আখের চাষ হয়েছে। যেখানে উৎপাদন হবে প্রায় ২২ হাজার টন আখ। যার বাজার মূল্যে অন্তত ২২ কোটি টাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বোনদের বঞ্চিত করার অভিযোগ অভিনেতা ডিপজলের বিরুদ্ধে

যশোরে আখের বাম্পার ফলন; দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা

আপডেট সময় ০৯:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

যশোরে এবারে আখের ভাল ফলন হয়েছে। আগাম আখ কেটে বিক্রি করছেন চাষিরা, দাম ভালো পাওয়ায় খুশি তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় আখের ফলন ভালো হয়েছে।

উঁচু বা মাঝারি উঁচু ও দোআঁশ জমিতে আখের চাষ ভালো হয়। আর যশোরের মাটিতে এসব বৈশিষ্ট্য থাকায় আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দাতপুর গ্রামের কৃষক রতন দেবনাথ। এবছর ১৩ শতক জমিতে আখ চাষ করেছেন তিনি। যেখানে খরচ হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর সেই আখ বিক্রি করেছেন ২ লাখ টাকায়। শুধু রতন নয় আখ চাষে লাভবান হচ্ছেন জেলার অন্যান্য কৃষকরাও ।

বাঘারপাড়ার আখ চাষি রতন দেবনাথ বলেন, ‘আখ চাষ করলে আমাদের টোটাল যে খরচ হয়, সে টাকা উঠে আসে। ফলে অনেকেই আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।’

যশোরের খালধারমোড়ের আখের হাট। যেখানে অন্তত বিক্রি হয় ১৫ হাজার পিচ আখ। যার বাজারমূল্যে প্রায় ৬ লাখ টাকা। বর্তমানে এ হাটে একশো আখ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যা সরবরাহ হচ্ছে আশপাশের জেলায়।

আখ চাষিরা জানান, এ বছর আখের চাহিদা ভালো। তারা আখের দাম পাচ্ছেন ভালো। এ বছর প্রতি পিছ আখ সর্বনিম্ন ২০ টাকায় বিক্রি করছেন চাষিরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, আখ চাষকে আরও লাভজনক করে তুলতে কৃষকদের সাথী ফসল চাষসহ সবধরনের সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সমরেন বিশ্বাশ বলেন, ‘আখ যেহেতু দীর্ঘমেয়াদী ফসল, ফলে আখের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফসল তারা উৎপাদন করতে পারে। এ বিষয়ে চাষিদের আমরা উৎসাহিত করছি।’

যশোরে এবছর প্রায় ২২০ হেক্টর জমিতে আখের চাষ হয়েছে। যেখানে উৎপাদন হবে প্রায় ২২ হাজার টন আখ। যার বাজার মূল্যে অন্তত ২২ কোটি টাকা।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481