ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় হাইকমিশনে ‘গজল সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে গুলশানের ইন্ডিয়া হাউসে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর ‘গজল মিউজিক্যাল ইভেনিং’। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টানা পরিবেশিত হয় গজলের আসর। কণ্ঠ ও যন্ত্রসঙ্গীতের মেলবন্ধনে শ্রোতাদের বিমুগ্ধ করে রাখেন দেশের দুই খ্যাতনামা গজলশিল্পী অলক কুমার সেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা।

গজলের পাশাপাশি শিল্পীরা কিছু ‘শের’-এর বাংলা অনুবাদও পরিবেশন করেন, যাতে শ্রোতারা গজলের কাব্যিক গভীরতা আরও কাছ থেকে অনুভব করতে পারেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন দেশের বেশ কয়েকজন দক্ষ ও পরিচিত যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী, যাদের বাজনায় অনুষ্ঠানে যুক্ত হয় অতিরিক্ত আবেগ ও সুরের সমাহার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ও মিসেস ভার্মা, হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকূল ভি কে ও অ্যান মেরি জর্জসহ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন গণমাধ্যমকর্মী, কবি, সাহিত্যিক, নির্মাতা, গায়ক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকরা।

সন্ধ্যার শুরুতে পরিবেশনা করেন জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা। মায়াবী কণ্ঠে গেয়েছেন হৃদয়ছোঁয়া গজল, যেখানে ছিল তার স্বকীয় আবেগ ও নরম সুরের ছোঁয়া। তিনি জানান, ঠান্ডা মেজাজের গজল গাইতেই তার বেশি স্বাচ্ছন্দ্য।

শেষ পর্বে মঞ্চে ওঠেন অলক কুমার সেন। দর্শকশ্রোতার অনুরোধে তিনি পরিবেশন করেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী মেহেদী হাসান, গোলাম আলী, জগজিৎ সিং, পঙ্কজ উদাস ও হোসেন বকসের জনপ্রিয় গজলগুলো। তার কণ্ঠে সেই চিরচেনা সুরের আবহেই সম্পূর্ণ হয় ভারতীয় হাইকমিশনের গজল সন্ধ্যা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সাশ্রয়ে যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল পাকিস্তান

ভারতীয় হাইকমিশনে ‘গজল সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৯:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে গুলশানের ইন্ডিয়া হাউসে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর ‘গজল মিউজিক্যাল ইভেনিং’। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টানা পরিবেশিত হয় গজলের আসর। কণ্ঠ ও যন্ত্রসঙ্গীতের মেলবন্ধনে শ্রোতাদের বিমুগ্ধ করে রাখেন দেশের দুই খ্যাতনামা গজলশিল্পী অলক কুমার সেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা।

গজলের পাশাপাশি শিল্পীরা কিছু ‘শের’-এর বাংলা অনুবাদও পরিবেশন করেন, যাতে শ্রোতারা গজলের কাব্যিক গভীরতা আরও কাছ থেকে অনুভব করতে পারেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন দেশের বেশ কয়েকজন দক্ষ ও পরিচিত যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী, যাদের বাজনায় অনুষ্ঠানে যুক্ত হয় অতিরিক্ত আবেগ ও সুরের সমাহার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ও মিসেস ভার্মা, হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকূল ভি কে ও অ্যান মেরি জর্জসহ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন গণমাধ্যমকর্মী, কবি, সাহিত্যিক, নির্মাতা, গায়ক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকরা।

সন্ধ্যার শুরুতে পরিবেশনা করেন জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা। মায়াবী কণ্ঠে গেয়েছেন হৃদয়ছোঁয়া গজল, যেখানে ছিল তার স্বকীয় আবেগ ও নরম সুরের ছোঁয়া। তিনি জানান, ঠান্ডা মেজাজের গজল গাইতেই তার বেশি স্বাচ্ছন্দ্য।

শেষ পর্বে মঞ্চে ওঠেন অলক কুমার সেন। দর্শকশ্রোতার অনুরোধে তিনি পরিবেশন করেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী মেহেদী হাসান, গোলাম আলী, জগজিৎ সিং, পঙ্কজ উদাস ও হোসেন বকসের জনপ্রিয় গজলগুলো। তার কণ্ঠে সেই চিরচেনা সুরের আবহেই সম্পূর্ণ হয় ভারতীয় হাইকমিশনের গজল সন্ধ্যা।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481