ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১৬ ডিসেম্বর থেকে অনিবন্ধিত মুঠোফোন বন্ধে কঠোর সরকার Logo নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে অব্যাহতি পেলেন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান Logo রাজনীতি হোক যুক্তির, গায়ের জোরের নয়: তাসনিম জারা Logo ইসরায়েলের ধ্বংস করা গাজা পুনর্গঠনে অর্থ ব্যয় করবে না কাতার Logo নীতি-আদর্শ ছাড়াই ধর্মের নামে রাজনীতি করছে একটি দল: সালাহউদ্দিন আহমদ Logo ট্রাইব্যুনালে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের হাজিরা, আদালত অবমাননার অভিযোগের শুনানি হবে আজ Logo বিএনপিতে যোগ দিলেন আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী Logo জামায়াত ক্ষমতার খুব কাছাকাছি তাই ঘায়েল করতে আওয়ামী বয়ান দিচ্ছে তারেক জিয়া: ছাত্রশিবির নেতা Logo আজ আবার ব্লকেড কর্মসূচিতে নামছে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা Logo রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১ কোটি ১২ লাখ ডলার অনুদান দেবে যুক্তরাজ্য-কাতার

বাঁকা আঙ্গুল রাজনীতিতে বড় বিপদ : রাজ্জাকী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে হলে নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই। আর যদি ব্যক্তি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় তখন কিছুই হয় না, আল্টিমেটলি দলগুলোকেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই দলে কারা নির্বাচনে বেশি অনাগ্রহী বা বেশি আগ্রহী, এগুলো তাদের ভাষা থেকেই বোঝা যায়—দলের নাম করে বলার প্রয়োজন নেই। তাই এটাও তাদের ব্যাপার।

যদি আপনি দলীয়ভাবে চিন্তা করেন, তারা লড়াই করবে; আর যদি মনে করে দলবিহীন লোকদের বেশি সম্পৃক্ত করতে পারবে, আন্দোলন তাদের পক্ষে তত বেশি শক্তিশালী হবে।

সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনে টক শো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, গত ৫৩ বছরে বাঁকা আঙ্গুল দেখিয়ে প্রক্রিয়াটি চলছে। আমি বাংলাদেশে এটিই দেখেছি।

এখানে যে দলবিহীন জনগণ আছে তাদের ভাষা কোনো রাজনৈতিক দল এখনো বুঝতে পারেনি কিংবা বুঝতে চাননি।
রাজ্জাকী বলেন, বাঁকা আঙ্গুল একটি বড় বিপথ। ১৯৯৬ সালে আঙ্গুল সোজা রেখে কোনো ফল হয়নি পরে আঙ্গুল বাঁকা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রূপে অবস্থান বদলেছে। পরে ১/১১ ঘটেছে, যদি আঙ্গুল সোজা থাকতো ওটা আসত না।

এরপর ড. ইউনূস সাহেবের সময় জুলাই অভ্যুত্থানের আঙ্গুলটি সোজা ছিল না; তখন অনেক লোক মারা গিয়েছিল প্রায় ১৪০০ জন। আঙ্গুল সোজা করে কোনো বড় অর্জন করা যায় না। বাচ্চাও যদি জুতা চায়, নানান অজুহাত করা হয়; তারপর প্রকৃত প্রয়োজন হলে জুতা আসে—এখানেও তেমনই বর্ণনা আছে।

তিনি বলেন, বাঁকা আঙ্গুল রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষতিকর। জামায়াত যদি বাঁকা আঙ্গুলের কথা বলে, তা ক্ষতিকর কেন? যদি এই প্রক্রিয়া নির্বাচন অস্থির করে এবং নির্বাচন বাতিল হয়।

যদিও আমি বলছি না এটা বাতিল হবে তবে স্বাভাবিকভাবে বাঁকা আঙ্গুলের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে বিএনপির ওপর এর পড়বে? কারণ নির্বাচনে বিএনপির জয় সুনিশ্চিত।

আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, বাঁকা আঙ্গুলের যে রেজাল্টটি হচ্ছে, সেটা দেশ ও জনতার জন্য ভালো কিনা, সেটাও দেখতে হবে। যদি দেশের সাধারণ, দলবিহীন জনগণ মনে করে যে এটা রাষ্ট্র ও জনগণের মঙ্গলের জন্য ঠিক, তবে দলহীন লোকগুলো যোগ দিতে পারে; আর যদি দেখে যে বাঁকা আঙ্গুল কাজে আসে না এবং তাদের একটিরও প্রয়োজন নেই—তাহলে দলহীন লোকগুলো যোগ দেবে না। তবে এই বাঁকা আঙ্গুল প্রসঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। কোথায় এটি থামবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ ডিসেম্বর থেকে অনিবন্ধিত মুঠোফোন বন্ধে কঠোর সরকার

বাঁকা আঙ্গুল রাজনীতিতে বড় বিপদ : রাজ্জাকী

আপডেট সময় ১২:৪২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে হলে নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই। আর যদি ব্যক্তি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় তখন কিছুই হয় না, আল্টিমেটলি দলগুলোকেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই দলে কারা নির্বাচনে বেশি অনাগ্রহী বা বেশি আগ্রহী, এগুলো তাদের ভাষা থেকেই বোঝা যায়—দলের নাম করে বলার প্রয়োজন নেই। তাই এটাও তাদের ব্যাপার।

যদি আপনি দলীয়ভাবে চিন্তা করেন, তারা লড়াই করবে; আর যদি মনে করে দলবিহীন লোকদের বেশি সম্পৃক্ত করতে পারবে, আন্দোলন তাদের পক্ষে তত বেশি শক্তিশালী হবে।

সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনে টক শো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, গত ৫৩ বছরে বাঁকা আঙ্গুল দেখিয়ে প্রক্রিয়াটি চলছে। আমি বাংলাদেশে এটিই দেখেছি।

এখানে যে দলবিহীন জনগণ আছে তাদের ভাষা কোনো রাজনৈতিক দল এখনো বুঝতে পারেনি কিংবা বুঝতে চাননি।
রাজ্জাকী বলেন, বাঁকা আঙ্গুল একটি বড় বিপথ। ১৯৯৬ সালে আঙ্গুল সোজা রেখে কোনো ফল হয়নি পরে আঙ্গুল বাঁকা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রূপে অবস্থান বদলেছে। পরে ১/১১ ঘটেছে, যদি আঙ্গুল সোজা থাকতো ওটা আসত না।

এরপর ড. ইউনূস সাহেবের সময় জুলাই অভ্যুত্থানের আঙ্গুলটি সোজা ছিল না; তখন অনেক লোক মারা গিয়েছিল প্রায় ১৪০০ জন। আঙ্গুল সোজা করে কোনো বড় অর্জন করা যায় না। বাচ্চাও যদি জুতা চায়, নানান অজুহাত করা হয়; তারপর প্রকৃত প্রয়োজন হলে জুতা আসে—এখানেও তেমনই বর্ণনা আছে।

তিনি বলেন, বাঁকা আঙ্গুল রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষতিকর। জামায়াত যদি বাঁকা আঙ্গুলের কথা বলে, তা ক্ষতিকর কেন? যদি এই প্রক্রিয়া নির্বাচন অস্থির করে এবং নির্বাচন বাতিল হয়।

যদিও আমি বলছি না এটা বাতিল হবে তবে স্বাভাবিকভাবে বাঁকা আঙ্গুলের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে বিএনপির ওপর এর পড়বে? কারণ নির্বাচনে বিএনপির জয় সুনিশ্চিত।

আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, বাঁকা আঙ্গুলের যে রেজাল্টটি হচ্ছে, সেটা দেশ ও জনতার জন্য ভালো কিনা, সেটাও দেখতে হবে। যদি দেশের সাধারণ, দলবিহীন জনগণ মনে করে যে এটা রাষ্ট্র ও জনগণের মঙ্গলের জন্য ঠিক, তবে দলহীন লোকগুলো যোগ দিতে পারে; আর যদি দেখে যে বাঁকা আঙ্গুল কাজে আসে না এবং তাদের একটিরও প্রয়োজন নেই—তাহলে দলহীন লোকগুলো যোগ দেবে না। তবে এই বাঁকা আঙ্গুল প্রসঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। কোথায় এটি থামবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481